প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন নরপতির নাম কী?

ক) রাজা শশাঙ্ক
খ) গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
গ) ফকরুদ্দীন মোবারক
ঘ) লক্ষণ সেন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ। উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো। ৫৯৪ খ্রি. থেকে ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন। তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে। বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং হিন্দু ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

- বাংলার আদিম অধিবাসী : কোল, ভেল, সাঁওতাল, মুক্তা প্রভৃতি উপজাতি

- বাংলার আদি জনপদগুলোর জনগোষ্ঠীর ভাষা ছিল : অস্ট্রিক

- বাংলাকে সাম্রাজ্যভূক্ত করা হয় : মৌর্যদের আমল থেকে

- বাংলার স্বাধীন রাজ্যের গোড়াপত্তন হয় : মৌর্যযুগে
- আর্যদের আগমনের পূর্বে এ অঞ্চলে বসবাস ছিল : অনার্যদের
- বাঙালি জাতি গড়ে ওঠে : অস্ট্রিক, দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে.

Related Questions

ক) মৌর্য
খ) পুণ্ড্র
গ) গৌড়
ঘ) রাঢ়
Note :

প্রাচীন বাংলার জনপদগুলু হল - বঙ্গ , গৌড় ,পুণ্ড্র ,সমতট , উত্তর , রার, দক্ষিণ রার ।
- মৌর্য নামে প্রাচীন বাংলার একটি রাজবংশ বিদ্যমান ছিল ।

ক) ৩৫০ নটিক্যাল
খ) ৪০০ নটিক্যার মাইল
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ঘ) ৩০০ নটিকেল মাইল
Note :

সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করতে ১৯৮২ সালে জাতিসংঘ সমুদ্র কনভেনশন আইন (আনকজ) প্রণীত হয়। ১৯৯৫ সালে ভারত এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে, মিয়ানমার স্বাক্ষর করে ১৯৯৬ সালে এবং বাংলাদেশ ২০০১ সালে। এই আইন অনুযায়ী একটি দেশ তার বেজলাইন হতে ১২ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল = ১ দশমিক ৮৫২ কিলোমিটার) রাষ্ট্রীয় সমুদ্রসীমা এবং আরো ১৮৮ নটিক্যাল মাইলসহ মোট ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। মহীসোপানের আরো ১৫০ নটিক্যাল মাইল যোগ করে (২০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত মহীসোপান) সম্প্রসারিত অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইলের বেশি হবে না।

ক) পিতল
খ) লৌহ
গ) ইস্পাত
ঘ) নিকেল
Note :

চৌম্বক পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় । লোহা ও লোহা জাতীয় পদার্থ ( যেমন - ইস্পাত ) ,নিকেল হল চৌম্বক পদার্থ । অপরদিকে পিতল হল তামা ও জিঙ্কের সঙ্কর ধাতু ।

ক) সেতারা বেগম
খ) জাহানারা বেগম
গ) নীলিমা ইব্রাহিম
ঘ) বেগম সুফিয়া কামাল
Note :

সেতারা বেগম (ডা. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা

ক) চোখে দেখে
খ) ঘ্রান শক্তির মাধ্যমে
গ) আরট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
ঘ) সবগুলোই ঠিক
Note :

বাদুড় চলার সময় শব্দোত্তর তরঙ্গ তৈরি করে যা সম্মুখে অবস্থিত প্রতিফলকে বাধা পেয়ে প্রতিধবনিরুপে ফিরে আসে । এ থেকে বাদুড় বুঝতে পারে কোন পথে অন্ধকারে বিনা বাধায় চলতে পারবে ।

ক) ১৮ এপ্রির ২০১৩
খ) ২০ মে, ২০১০
গ) ১৫ জুন, ২০০৯
ঘ) ১৪ মার্চ , ২০১২
Note :

১৪ মার্চ ২০১২ বাংলাদশ মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ মামলার রায় প্রদান করে জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) । সমুদ্র বিরোধ নিরসনে ২০১২ সালে মিয়ানমারের দাবি "সমদূরত্ব পদ্ধতি " ও বাংলাদেশের দাবি "ন্যায্যতা পদ্ধতিকে " বিচার বিশ্লেষণ " করে আদালত ন্যায্য পদ্ধতি অনুযায়ী রায় ঘোষণা করেন।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন