কোন বাক্যে ভাববাচ্যে কর্তার উদাহরণ দেওয়া হয়েছে ?
"আমার যাওয়া হবে না" বাক্যটি ভাববাচ্যের একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ। ভাববাচ্যে সাধারণত কর্তার চেয়ে কাজের ধরন বা ক্রিয়াপদের অর্থ বেশি প্রাধান্য পায়। ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী ভাববাচ্যের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি নিচে দেওয়া হলো:
কর্তার অবস্থান: এক্ষেত্রে কর্তা বা কর্মে বিভক্তি (যেমন- র, এর) যোগ হয়, যা কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার ভাবের ওপর জোর দেয়।
ক্রিয়ার রূপ: ক্রিয়াপদটি সাধারণত প্রথম পুরুষের নামপুরুষে পরিণত হয় এবং অকর্মক ক্রিয়ার ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
Related Questions
লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী, গান, ছড়া ও প্রবাদ-প্রবচন ইত্যাদিকে সমষ্টিগতভাবে লোকসাহিত্য বলা হয়。 এটি কোনো লিখিত বা একক ব্যক্তির সৃষ্টি নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবন দর্শন, আবেগ ও সংস্কৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মুখে মুখে টিকে থাকে |
Subconscious শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ অবচেতন বা যেসব মানসিক ক্রিয়া - কলাপ সম্বন্ধে মানুষ (পুরোপুরি) সচেতন থাকে না।
'শ্মশ্রু' (তালব্য শ-এর নিচে ম-ফলা) শব্দের অর্থ হলো দাড়ি-গোঁফ।
'নাটিকা' শব্দটি 'ক্ষুদ্রার্থে' (ছোট নাটক বোঝাতে) একটি স্ত্রীবাচক শব্দ।
'সার্বভৌম' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সর্বভূমি + ষ্ণ। মূলত, বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তদ্ধিত প্রত্যয় (ষ্ণ) যোগে এই শব্দটি গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি
ক্রিয়ার আধারকে অধিকরণ কারক বলে। অর্থাৎ যে স্থান বা যে বিষয়টি আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে বিষয়, সময় বা স্থানকে বলা হয় অধিকরণ কারক। যেমন: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায় এ বাক্যে রেখা চিহ্নিত অংশটি অধিকরণ কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
জব সলুশন