কোনটি অপিনিহিতির উদাহরণ ?
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
• যেমনঃ আজি > আইজ, সাধু > সাউধ।
গুরুত্তপুর্ণ অপিনিহিতির উদাহরণঃ
কালি > কাইল
আজি > আইজ
বলিবেক > বইলবেক (ঝাড়খণ্ডী)
শুনিয়াছি > শুইন্যেছি (ঝাড়খণ্ডী)
করিয়াছ > কইর্যাছ (বঙ্গালী)
সাধু > সাউধ
মধু > মউধ
রাঁধিয়া > রাইন্ধ্যা
বসিয়া > বইস্যা
Related Questions
খেচর শব্দটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস। ব্যাসবাক্য: আকাশে চরে যে। সংজ্ঞা: কৃদন্ত পদের (যে পদের শেষে কৃৎ প্রত্যয় থাকে) সাথে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
ব্যাঘাত শব্দের মূল বিশেষণ হলো ব্যাঘাতকারী বা বাধাজনক
ফখরুল আহমদ এর রচিত কাহিনীকাব্য 'হাতেমতায়ী' যা ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং তিনি এই গ্রন্থের জন্য আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
শুদ্ধ বানান উন্মীলন। অর্থাৎ, এতে দীর্ঘ ঈ-কার (ঈ) ব্যবহৃত হবে l
যা কষ্টে নিবারণ করা যায় - এর বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো দুর্নিবার।
সঠিক বাক্যটি হলো: "আমার কথাই প্রমাণ হলো।" কারণ: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'প্রমাণিত' শব্দটি একটি বিশেষণ যেমন: বিষয়টি প্রমাণিত)। তাই বাক্যের ক্রিয়াপদ হিসেবে 'প্রমাণ হলো' ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং আদর্শ। 'প্রমাণিত হলো' লিখলে বিশেষ্য ও বিশেষণের নিয়মজনিত ভুল হয়।
জব সলুশন