কোনটি মূল ধ্বনি নয়?
ঔ মূল (বা মৌলিক) ধ্বনি নয়। এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি (অ + উ). I বাংলা ভাষায় মোট ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি রয়েছে: অ,আ,ই,উ, এ,ও,অ্যা
Related Questions
শৈলজ শব্দটি পুত্র শব্দের সমার্থক নয়। যেহেতু 'শৈল' অর্থ পর্বত, তাই 'শৈলজ' শব্দের অর্থ হলো পর্বতজাত বা পর্বতে উৎপন্ন। পক্ষান্তরে, পুত্র শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো আত্মজ, নন্দন, এবং তনয়।
খ এবং ঝ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি。বাংলা ব্যাকরণে, যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে বের হওয়া বাতাসের চাপ বেশি থাকে এবং নিঃশ্বাস জোরে সংযোজিত হয়, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে。 বর্গের দ্বিতীয় (২য়) ও চতুর্থ (৪র্থ) বর্ণগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি হয়। যেমন: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা ১০টি। এর মধ্যে ৪টি স্বরবর্ণ এবং ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ।মাত্রাবিহীন স্বরবর্ণ (৪টি): এ, ঐ, ও, ঔ।
মাত্রাবিহীন ব্যঞ্জনবর্ণ (৬টি): ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ
সঠিক ব্যাসবাক্য হলো ন আদর। সমাসের নাম: নঞ তৎপুরুষ সমাস। নিয়ম: না-বাচক বা নিষেধাত্মক 'নঞ' অব্যয় (যেমন: না, ন, নয় ইত্যাদি) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে পূর্বপদের 'ন' অব্যয়টি স্বরবর্ণের (আদর) আগে বসে 'অন' বা 'অনা' রূপ ধারণ করেছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭ টি গানের সংকলন 'গীতাঞ্জলি' কাব্য। এ কাব্যের গানগুলি ১৯০৮-১৯০৯ সালের মধ্যে রচিত এবং গ্রন্থাকারে ১৯১০ সালে প্রকাশিত ।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' ।
- দীনবন্ধু মিত্রের সামাজিক নাটক 'নীলদর্পণ' ;
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত ধর্মভিত্তিক মহাকাব্যিক উপন্যাস 'বিষাদসিন্ধু'
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত সামাজিক উপন্যাস 'লালসালু'
- 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত গতিতত্ত্ব বিষয়ক কাব্যগ্রন্থ 'বলাকা' (১৯১৬);
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রুপক ও সাংকেতিক নাটক 'ডাকঘর;
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ৪ খণ্ডে বিভক্ত আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত'।
হাতির বাসস্থান-এর বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ হলো গজগৃহ।
জব সলুশন