কোনটি ধনাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
ঝম-ঝম হলো ধনাত্মক (বা ধ্বন্যাত্মক) দ্বিরুক্তির একটি নিখুঁত উদাহরণ。 কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতি (sound mimicry) বিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধনাত্মক শব্দ বলে。 এই জাতীয় ধনাত্মক শব্দের দুইবার বা পরপর প্রয়োগই ধনাত্মক দ্বিরুক্তি নামে পরিচিত
Related Questions
রান্না" শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাঁধ্ + না।
এটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। আপনার উল্লেখ করা "রাঁধে + না" রূপটি সঠিক নয়।
সন্ধির নিয়ম ও ব্যাখ্যা নিয়ম (সমীভবন): খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পূর্ব পদের শেষে যদি 'ধ্' থাকে এবং পর পদের শুরুতে 'ন' থাকে, তবে 'ধ্' ধ্বনিটি পরবর্তী 'ন' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ রূপান্তরিত হয়।
প্রক্রিয়া: রাঁধ্ + না → রাঁন্ + না = রান্না।
অনুরূপ উদাহরণ: একই নিয়মে 'কান্না' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হয় কঁাদ্ + না
'অজ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গের মধ্যে 'অজ' অন্যতম। এটি মূলত শব্দের আগে যুক্ত হয়ে 'অপূর্ণ' বা 'নিকৃষ্ট' অর্থ প্রকাশ করে থাকে
"হযরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব" বাক্যটি একটি সরল বাক্য। [কারণ: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। উদ্দেশ্য (কর্তা): হযরত মুহম্মদ (স) বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া): ছিলেন একজন আদর্শ মানব
'তিতিক্ষা' বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ। এর অর্থ হলো ক্ষমা, সহিষ্ণুতা বা দুঃখ সহ্য করার ধৈর্য এটি একটি বিশেষ্য পদ
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত ‘বিসর্জন’ নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো - রঘুপতি, গুণবতী, জয়সিংহ, অপর্ণা, গোবিন্দমাণিক্য প্রভৃতি।
জব সলুশন