বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড়ের চূড়ার নাম কী?
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া বা শৃঙ্গ হলো সাকা হাফং (বা মদক টং), তবে সরকারিভাবে ও সাধারণ জ্ঞানে তাজিংডং (বা বিজয়)-কে সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
Related Questions
ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত কৈলাশ শৃঙ্গের নিকটবর্তী মানস সরোবরের নিকটবর্তী জিমা ইয়ংজং (Chemayungdung) বা আংসি (Angsi) হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এই উৎস অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি তিব্বতে 'সাংপো' নামে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ সরকারের পতনের পর, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে এটিই বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল। এই নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।
বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় ১৪ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের দোসররা এই দিনে দেশের বহুসংখ্যক বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে হত্যা করেছিল। তাঁদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার জন্য এই দিনটি পালন করা হয়।
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল সিপাহী। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ধলাই সীমান্ত চৌকি (Dhalai Border Outpost) দখলের অভিযানে পাকিস্তানি বাহিনীর মেশিনগান পোস্ট ধ্বংস করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন। তাঁর এই অসামান্য সাহসিকতার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা মোট ৭ জন。
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সাতজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে দেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' দেওয়া হয়。
তাঁরা হলেন:
১. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
২. ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ
৩. সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান
৪. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
৫. ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
৬. সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
৭. ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন
জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা সম্মিলিত প্রয়াস ঢাকার সাভার উপজেলার নবীনগরে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২ সালে। উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৫.৭২ মিটার, ফলকের সংখ্যা ৭টি। জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
জব সলুশন