একজন সাধারন মানুষের দেহে মোট কত টুকরা হাড় থাকে?

ক) ২০৬
খ) ৩০৬
গ) ৪০৬
ঘ) ৫০৬
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- একজন সাধারণ মানুষের দেহে ২০৬ টি অস্থি থাকে।
- তবে একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তখন তার দেহে ২৭০ থেকে ৩৫০ টি অস্থি থাকে।

- মানবদেহের ২০৬ টি অস্থির সংখ্যাবিন্যাস-করোটিতে ২২টি, মেরুদণ্ডে ৩৩টি, কাঁধে ৪টি, বক্ষপিঞ্জরে ২৪টি, উরু ফলক ১টি, দুই ঊর্ধ্ব বাহুতে ৬০টি, শ্রোণীচক্রে ২টি, দুই পায়ে ৬০টি, মোট ২০৬টি। 
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি। 
- অস্থিতে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ পানি থাকে 
- অস্থির বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন। 

Related Questions

ক) প্রতিদান
খ) প্রত্যুপকার
গ) অকৃতজ্ঞতা
ঘ) অসহিষ্ণুতা
Note :

- শিশিরের ক্ষুদ্র ফোঁটা গড়িয়ে পড়েছে দিঘির অগাধ জলে।
- এই সামান্য শিশির-ফোটাকে শৈবাল দিঘির প্রতি তার মহৎ দান বলে গণ্য করছে।
- অথচ দিঘির বিশাল জলরাশির কাছে এক ফোঁটা শিশির অতি তুচ্ছ।
- দিঘির জলেই যার অস্তিত্ব, সেই দিঘির প্রতি শৈবালের এমন দম্ভোক্তি সত্যি হীনম্মন্যতার পরিচায়ক। উক্তিটির মাধ্যমে 'অকৃতজ্ঞতা' প্রকাশ পেয়েছে।

ক) মাঝি-মাল্লার সংগ্রমশীল জীবন
খ) জেলে-জীবেনর বিচিত্র সুখ-দুঃখ
গ) চাষী-জীবনের করুন চিত্র
ঘ) চরবাসীদের দুঃখী-জীবন
Note :

পদ্মানদীর মাঝি উপন্যাসের পটভূমি বাংলাদেশের বিক্রমপুর - ফরিদপুর অঞ্চল। এই উপন্যাসের দেবীগঞ্জ ও আমিনবাড়ি পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম। উপন্যাসে পদ্মার তীর সংলগ্ন কেতুপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের পদ্মার মাঝি ও জেলেদের বিশ্বস্ত জীবনালেখ্য চিত্রিত হয়েছে। পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। এর ভাঙন প্রবণতা ও প্রলয়ংকরী স্বভাবের কারণে একে বলা হয় 'কীর্তিনাশা' বা রাক্ষুসী পদ্মা। এ নদীর তীরের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই। শহর থেকে দূরে এ নদী এলাকার কয়েকটি গ্রামের দীন - দরিদ্র জেলে ও মাঝিদের জীবনচিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। জেলেপাড়ারর মাঝি ও জেলেদের জীবনের সুখ - দুঃখ, হাসি - কান্না - অভাব - অভিযোগ - যা কিনা প্রকৃতিগতভাবে সেই জীবনধারায় অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ তা এখানে বিশ্বস্ততার সাথে চিত্রিত হয়েছে। তাদের প্রতিটি দিন কাটে দীনহীন অসহায় আর ক্ষুধা - দারিদ্র‍্যের সাথে লড়াই করে। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে - পরে বেঁচে থাকাটাই যেন তাদের জীবনের পরম আরাধ্য। এটুকু পেলেই তারা খুশি।

ক) হাতি/হাতী
খ) নরি/নারী
গ) জাতি/জাতী
ঘ) দাদি/দাদ
Note :

হাতি-হাতী  বানানই শুদ্ধ

ক) মীর মোশাররফ হোসেন
খ) মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ
গ) মোজাম্মেল হক
ঘ) রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী
Note :

মোসলেম ভারত একটি মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছিল। ১৯২০ সালে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনামলের সময় এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকার নামে মুসলিম শব্দ থাকলেও এতে অন্যান্য ধর্মের লেখকদের রচনাও প্রকাশিত হত।পত্রিকার প্রচ্ছদে ইসলামি শিল্পকলা তুলে ধরা হত।এছাড়াও প্রচ্ছদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিম্নোক্ত বাণী উৎকীর্ণ ছিল: ‘মানব - সংসারে জ্ঞানালোকের দিয়ালি - উৎসব চলিতেছে। প্রত্যেক জাতি আপনার আলোটীকে বড় করিয়া জ্বালাইলে তবে সকলে মিলিয়া এই উৎসব সমাধা হইবে।’

ক) মহাকাব্যে
খ) নাটকে
গ) পত্রকাব্যে
ঘ) সনেটে
Note :

বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনার কৃতিত্ব মাইকেল মধুসূদন দত্তের, সনেটকে বাংলায় চতুর্দশপদী নাম মহাকবি মাইকেল মধুসূদনই দিয়েছিলেন। বাংলা সনেট (চতুর্দশপদী) এর সার্থক স্রষ্টা কবি মধুসূদন দত্ত ১৮৬৫ খ্রীষ্টাব্দে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালেই ইতালির কবি পেত্রার্কের সনেট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রথম বাংলা সনেটের দিগন্ত উন্মোচন করেন। ১৮৬৬ খ্রীষ্টাব্দে কবির চতুর্দশপদী কবিতাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাগুলিতে কবি চিত্তের ব্যকুলতা, স্বদেশ প্রেমিকতা ও আবেগ ধ্বনিত হয়েছে।

ক) শর্মিষ্ঠ্যা
খ) রাজসিংহ
গ) পলাশীর যুদ্ধ
ঘ) রক্তাক্ত প্রান্তর
Note :

রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটির রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। প্রকাশকাল- ১৯৬২। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এই নাটকটির মূল উপজীব্য। নাটকটির জন্য মুনীর চৌধুরী ১৯৬২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

জব সলুশন

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - টেকনিশিয়ান হেলপার (17-01-2026)

প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2026 (09-01-2026)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন