ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কোন কাব্যের উপজীব্য?
‘জিঞ্জির’ (১৯২৮) কাজী নজরুল ইসলামের জীবনীমূলক বিদ্রোহী কাব্য। ‘সাত সাগরের মাঝি’ (১৯৪৪) ফররুখ আহমদের ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্বলিত কাব্য। ‘দিলরুবা’ (১৯৩৩) আবদুল কাদির রচিত প্রেমপ্রধান কবিতা এবং ‘নূরনামা’ আবদুল হাকিমের বাংলা ভাষার গুণকীর্তনমূলক কাব্য।
Related Questions
০১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম - ১৮৬১ সালে । ০২। কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম - শতবার্ষিকী পালিত হয় - ১৯৬১সালে । ০৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন - ১৮৮০সালে । ০৪। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম - বৌঠাকুরানির হাট । ০৫। ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
সমুচ্চয়ী অব্যয়ঃ যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধসূচক অব্যয় বলে। যেমন : এবং, ও, কিংবা, তবু প্রভৃতি।
'পূর্বে ছিল এখন নেই' - ভূতপূর্ব - । পূর্বে যা ঘটেনি - অভূপূর্ব । বিগত হয়েছে যে কাল - অতীত। যে কাল এখনও চলছে - বর্তমান ।
গোবিন্দলাল ও রোহিণী চরিত্র দুটি বঙ্কিমচন্দ্রের " কৃষ্ণকান্তের উইল" চরিত্রের প্রধান চরিত্র । বঙ্কিমচন্দ্র বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় । তার প্রথম বাংলা উপন্যাস হল দুর্গেশনন্দিনী যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয় ।
'ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়' প্রবাদটির বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে "ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল" বাক্যে। এর মানে হলো, লুকোচুরি না করে বা অপ্রাসঙ্গিক কথা না বলে আসল বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলা উচিত।
সঠিক উত্তর: ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কী লাভ, আসল কথাটি বল।
ব্যাখ্যা: 'ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়' একটি বাগধারা যার অর্থ হলো লুকোচুরি বা গোপন করার চেষ্টা। তাই, এই প্রবাদটি ব্যবহার করে বোঝানো হচ্ছে যে, লুকোচুরি না করে সরাসরি মূল বিষয়টি বলতে হবে।
অঘোষ ধ্বনি : কোনো কোনো ধ্বনি উচ্চারণরে সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণতি হয় না। তখন ধ্বনটিরি উচ্চারণ গাম্ভীর্যহীন ও মৃদু হয়। এরূপ ধ্বনিকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি
চ এবং ছ: এগুলো অঘোষ ধ্বনি।
জব সলুশন