”বুলবুলিতে ধান খেয়েছে”--এই বাক্যের “বুলবুলিতে” শব্দে কোন কারকে কোন বিভক্তি রয়েছে?
"বুলবুলিতে ধান খেয়েছে" বাক্যের "বুলবুলিতে" শব্দটিতে কর্তৃকারকে সপ্তমী (৭মী) বিভক্তি রয়েছে। কারক: বাক্যে কে বা কারা কাজটি করছে তা দিয়ে কারক নির্ণয় করা হয়। এখানে "কে ধান খেয়েছে?" প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় "বুলবুলিতে"। যেহেতু কাজটি বুলবুলি নিজে করছে, তাই এটি কর্তৃকারক। বিভক্তি: বুলবুলি শব্দের সাথে 'তে' বর্ণটি যুক্ত হয়ে "বুলবুলিতে" শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে 'এ, অ, তে' ইত্যাদি বর্ণগুলো সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
Related Questions
নিরীহ শব্দটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ l সঠিক বানান: নিরীহ অর্থ: শান্ত, নির্দোষ, বা নিরীহ প্রকৃতির。 গঠন: ‘নিঃ’ (বা নি) উপসর্গের সাথে ‘ঈহ’ যোগ হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে, তাই বানানের শেষে ‘হ’ এর আগে দীর্ঘ ঈ-কার (ঈ) ব্যবহৃত হয়।
বাংলা ব্যাকরণে 'যা নিন্দার যোগ্য নয়'-এর এক কথায় প্রকাশ হলো অনিন্দ্য।
”যার বাসস্থান নেই” — বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ হলো অনিকেতন (অথবা অনিকেত)।
ব্যাকরণগত দিক থেকে: অনিকেত: যার বাসস্থান নেই।
উদ্বাস্তু: যে বাস্তু বা ভিটেমাটি থেকে উৎখাত হয়েছে (যার স্থায়ী ঠিকানা নেই)।
মুখ তোলা" বাক্যাংশটির বিশিষ্ট অর্থ হলো প্রসন্ন হওয়া। এর মাধ্যমে সাধারণত কৃপা করা বা সদয় হওয়া বোঝায়। বাংলা ব্যাকরণে এবং বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় (যেমন- প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ) এই অর্থটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
সঠিক অর্থ হলো আশায় নৈরাশ্য বা আশা ভঙ্গ হওয়া। গুড়ের মধ্যে বালি পড়লে যেমন সেই গুড় খাওয়া অনুপযোগী হয়ে পড়ে এবং নষ্ট হয়ে যায়, ঠিক তেমনি কোনো কারণে কাঙ্ক্ষিত বা আনন্দের আশায় নিরাশ হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
জব সলুশন