খেয়াপার করে যে তাকে বলা হয়--
খেয়াপার করে যে, তাকে এক কথায় বলা হয় পাটনী।
- মাঝি বলতে বোঝায় যিনি নৌকা চালান।
- ঘাটাল বলতে এবড়ো-থেবড়ো বা অসমতল জায়গাকে বুঝায়।
- কর্ণধার হল নৌকা প্রধান মাঝি।
Related Questions
সঠিক উত্তর নৌ +ইক
'নাবিক' এর সন্ধি বিচ্ছেদ নৌ + ইক। ও/ঔ এরপরে অন্য কোন স্বরধ্বনি আসলে ‘ও’ এর জায়গায় ‘অব’ এবং ‘ঔ’ এর জায়াগায় ‘আব’ হয়। ঔ + ই = আব + ই নৌ + ইক = নাবিক।
বহ্নুৎসব এর সন্ধি বিচ্ছেদ : বহ্নি + উৎসব। ই-কার কিংবা ঈ-কারের পরে ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই/ঈ স্থানে য-ফলা হয়। যেমন: বহ্নি + উৎসব = বহ্ন্যুৎসব, মসী + আধার = মস্যাধার। প্রতি + ঊষ = প্রত্যূষ প্রভৃতি।
-বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ বলা হয় প্যারীচাঁদ মিত্রকে, তার ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। তিনি বাংলা সাহিত্য ধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হলেন। তার রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' ( ১৮৫৮ ) বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ।
-বাংলা গদ্য সাহিত্যে পারেচাদ মিত্র -র রচনা রীতিকে বলা হয় 'আলালি ভাষা ' বলা হয় ।
বাংলা সাহিত্যের 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
তাঁর বিখ্যাত 'গৃহদাহ' (১৯২০) উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।
মহিম ও সুরেশ এই দুই পুরুষের প্রতি অচলার আকর্ষণ-বিকর্ষণ এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় উপকরণ।
তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসঃ পণ্ডিতমশাই, পল্লীসমাজ, দেবদাস, শ্রীকান্ত, বড়দিদি, বামুনের মেয়ে, শেষ প্রশ্ন, দেনাপাওনা, পথের দাবী, ইত্যাদি।
মোহিতলাল মজুমদার বাংলা সাহিত্যে (বিশেষত কবিতায়) সর্বপ্রথম আরবি ও ফারসি শব্দের সার্থক প্রয়োগ/ব্যবহার করেন। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য কাব্য : বিস্মরণী, স্মরগরল ও হেমন্ত গোধূলি।
সধবার একাদশী বাংলা গদ্য সাহিত্যের একটি আদি নিদর্শন । এটি একটি সামাজিক নাটক যা প্রহসন হিসেবে পরিগণিত। এর লেখক উনিশ শতকের বিশিষ্ট লেখক দীনবন্ধু মিত্র।
জব সলুশন