বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক--

ক) এম্পেয়ার
খ) ওহম
গ) ভোল্ট
ঘ) ওয়াট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

প্রতি সেকেন্ডে এক জুল কাজ করার ক্ষমতাকে এক ওয়াট বলে। বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক ওয়াট। রোধ পরিমাপের একক ওহম। বিদ্যুৎ প্রবাহের একক অ্যামপিয়ার। তড়িৎ বিভব পার্থক্য, তড়িচ্চালক বল, ভোল্টেজ, বৈদ্যুতিক বিভবের একক হচ্ছে ভোল্ট।

Related Questions

ক) শূন্য মাধ্যমে
খ) কঠিন মাধ্যমে
গ) তরল মাধ্যমে
ঘ) বায়বীয় মাধ্যমে
Note :

শব্দ তরঙ্গ শূন্য মাধ্যমে (Vacuum) চলতে পারে না। শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ, যার সঞ্চালনের জন্য কোনো না কোনো জড় মাধ্যম (কঠিন, তরল বা বায়বীয়) প্রয়োজন হয়। শব্দ তরঙ্গের চলাচলের সময় মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের প্রয়োজন হয়। মহাশূন্যে বা শূন্যস্থানে কোনো বায়ু বা কণা থাকে না, তাই সেখানে শব্দ তরঙ্গ চলাচল করতে পারে না।

ক) সাদা কাপড়ের তাপ বিকিরণ বেশি
খ) সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে
গ) সাদা কাপড়ের তাপ প্রতিফলন ক্ষমতা বেশি
ঘ) সাদা কাপড়ের প্রতিসরণ ক্ষমতা বেশি
Note :

গ্রীষ্মকালে সাদা কাপড় পরা হয় কারণ - সাদা কাপড় তাপ শোষণ করে কম এবং প্রতিফলন করে বেশি । আর অন্যান্য রংয়ের কাপড় তাপ শোষণ করে বেশী ।

ক) লাল আলো
খ) হুলদ আলো
গ) বেগুনী আলো
ঘ) নীল আলো
Note :

দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি (বেগুনী) আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত ৩৮০ থেকে ৪৫০ ন্যানোমিটার (nm) এর মধ্যে হয়ে থাকে। অন্যদিকে, দৃশ্যমান বর্ণালীর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি

ক) বিশৃঙ্খলা
খ) এলোমেলো
গ) তাস খেলা ঘর
ঘ) ক্ষণস্থায়ী
Note :

তাসের ঘর শব্দের অর্থ - ক্ষণস্থায়ী।

বক্তব্য বিষয় কে সৌন্দর্য মন্ডিত করার জন্য ভাষায় ব্যবহৃত বিশেষ অর্থবহ শব্দ গুচ্ছ কে বাগধারা বলে। বাগধারার উদ্দেশ্য এক বা একাধিক শব্দের মিলনে কোন লক্ষ্যার্থ প্রকাশ করা। যেমন - তাসের ঘর ( ক্ষণস্থায়ী) , তুলসি বনের বাঘ ( ভণ্ড)।

ক) সারদা দেবী
খ) চন্দ্রাবতী
গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
ঘ) সুফিয়া কামাল
Note :

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হলেন চন্দ্রাবতী। আর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী।

ক) কথ্য ভাষায়
খ) আঞ্চলিক ভাষায়
গ) সাধু ভাষায়
ঘ) চলিত ভাষায়
Note :

⇒ সাধুভাষা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুবির্দিষ্ট , তাই এ ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়।

   সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:

১: সাধু ভাষায় সমাপিকা ও অসমাপিকা, এই দুই প্রকার ক্রিয়াপদের‌ই পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া অনেকগুলি সর্বনাম পদের‌ও পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন: আসিতেছে, করিয়াছিলাম, দেখিয়াছি, বলিয়া থাকিব, শুনিতাম, ইহা,      উহা, তাহারা, যাহার ইত্যাদি।

২: সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের আধিক্য দেখা যায়। যেমন: গৃহ, ভবন, গগন, বাটী, তৃণ, ঘৃত, মৃগয়া, বৎস, হস্ত, পদ, বৃক্ষ, কুজ্ঝটিকা, মৃত্তিকা ইত্যাদি।

৩: সাধু ভাষায় অনুসর্গগুলির পূর্ণ রূপ দেখা যায় এবং কিছু তৎসম অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়। যেমন: হ‌ইতে, চাহিয়া, থাকিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি।

৪: সাধু ভাষা অনেকটা সংস্কৃত ভাষার অনুসরণে গঠিত হ‌ওয়ার কারণে এই ভাষার ধ্বনিঝংকার অপেক্ষাকৃত বেশি। 

৫: সন্ধিবদ্ধ ও সমাসবদ্ধ শব্দের ব্যবহার সাধু ভাষায় তুলনামূলক ভাবে বেশি দেখা যায়।

৬: সাধু ভাষায় সংস্কৃত সংখ্যাবাচক শব্দের কিছু কিছু ব্যবহার দেখা যায়। যেমন: দ্বাদশ, চতুর্দশ, পঞ্চদশ ইত্যাদি।

৭: সাধু ভাষা মানুষের মুখে প্রচলিত ভাষার উপর নির্ভর করে গঠিত হয়নি, তাই এই ভাষা অপেক্ষাকৃত দুর্বোধ্য।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন