মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?

ক) ১৮ জোড়া
খ) ২০ জোড়া
গ) ২২ জোড়া
ঘ) ২৩ জোড়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া ক্রোমেমােজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জােড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম। এদের অটেজোম বলা হয়। বাকি এক জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধরণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলে।

Related Questions

ক) নাইট্রোজেন
খ) ম্যাগনেসিয়াম
গ) আয়রন
ঘ) পটাশিয়াম
Note :

নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে । ফলে পাতাগুলু হলুদ হয়ে যায় । কচি পাতাগুলু শেষে হলুদ হয় এবং পীত বর্ণ ধারণ করে। পাতার বর্ণ পরিবর্তন হওয়াকে ক্লোরোসিস বলে ।

ক) কিডনীতে
খ) যকৃতে
গ) পিত্তথলিতে
ঘ) প্লিহায়
Note :

রক্তের লোহিত কণিকা তার আয়ু শেষে প্লীহায় জমা হতে থাকে।
- প্লীহায় উপস্থিত ম্যাক্রোফেজ মেয়াদোত্তীর্ণ লোহিত রক্তকণিকাকে ভক্ষণ করে।
- যার ফলে হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকা থেকে বাইরে বের হয়ে আসে এবং বিলিরুবিন নামক রঞ্জক পদার্থে রূপান্তরিত হয়।
- এই রঞ্জক পদার্থ যকৃতে যেয়ে আরো রূপান্তরিত হয়ে বিলিরুবিন হয় এবং পিত্তরস এর মাধ্যমে দেহ থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়।
- যকৃতের ডানদিকের অংশে পেয়ালার মতো পিত্তরস ধারণকারী একটি থলে থাকে, একে পিত্তথলি বলে।
- পিত্তথলি ৭-৮ সে.মি. লম্বা।
- পিত্তথলি থেকে পিত্ত ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়। 
- পিত্তরস স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাক করে থাকে।

ক) সোডিয়াম কার্বনেট
খ) সোডিয়াম সালফেট
গ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
ঘ) সোডিয়াম সিলিকেট
Note :

সাবানকে শক্ত করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে সোডিয়াম সিলিকেট (Sodium Silicate)। এছাড়া সাবান তৈরির সময় ফিলার হিসেবে এটি যোগ করা হয় এবং লবণাক্ততার জন্য সোডিয়াম ক্লোরাইডও সাবানকে শক্ত ও দানাদার করতে সাহায্য করে।

ক) অ্যাসকরবিক এসিড
খ) সাইট্রিক এসিড
গ) অ্যসিটিক এসিড
ঘ) অক্সালিক এসিড
Note :

ভিটামিন সি এর অপর নাম অ্যাসকরবিক এসিড , যা পানিতে দ্রবণীয় । বিভিন্ন টক জাতীয় ফল ও টাটকা শাক -সবজিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

ক) তামা
খ) দস্তা
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ঘ) সীসা
Note :

ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে।

ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু ৮.১%। লৌহ (৫.১%) ক্যালসিয়াম (৩.৭%) সোডিয়াম (২.৮%) পটাশিয়াম (২.৫%) বিদ্যমান। ভূত্বকের প্রধান উপাদান অক্সিজেন ৪২.৭%।

ক) কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
খ) কঠিন পদার্থে
গ) তরল পদার্থে
ঘ) বায়বীয় পদার্থ
Note :

কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব কাছাকাছি এবং শক্তভাবে যুক্ত থাকায় এর মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত সঞ্চালিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বাতাসে শব্দের গতি যেখানে প্রায় ৩৪৩ মিটার/সেকেন্ড, সেখানে লোহা বা ইস্পাতের মতো কঠিন মাধ্যমে তা প্রায় ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার/সেকেন্ড। 

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন