ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ হতে উৎপন্ন হয়েছে?
ব্রহ্মপুত্র হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালে ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশ উত্থিত হওয়ার কারণে এর দিক পরিবর্তিত হয়। ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী যমুনা। কাঞ্চনজঙ্ঘা হচ্ছে হিমালয়ের দ্বিতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ। যেটি ভারতের উত্তর সিকিম জেলা এবং নেপাল সীমান্তে অবস্থিত।
Related Questions
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান।
বিজয় স্তম্ভ ভাস্কর্যটি গাজীপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ মির্জা আহমদ খান নির্মাণ করেন।
বিখ্যাত তারা মসজিদ পুরান ঢাকার আরমানিটোলা আবুল খয়রাত রোডে অবস্থিত। এটি 18 শতকের শেষের দিকে মির্জা গোলাম পীর নির্মাণ করেন।
”যা কষ্টে লাভ করা যায়” তাকে এক কথায় বলে - দুর্লভ।
যা জয় করা কঠিন তাকে দুর্জয় বলে। যা কষ্ট করে লাভ করা যায় না তাকে অলভ্য বলে।
সঠিক বানানটি হল 'নিমীলিত'।
সঠিক শব্দ হচ্ছে 'নিমীলিত' যার অর্থ মুদিত (চোখ বোজা অবস্থা প্রাপ্ত)। এবং প্রশ্নে উল্লেখিত অন্যান্য বানানগুলো ভুল রয়েছে।
- যেসব ক্রিয়ার দ্বারা বাক্যের সমাপ্তি ঘটে না, সে সব ক্রিয়াকে বলে অসমাপিকা ক্রিয়া।
- এখানে ‘করলে’ ক্রিয়ার দ্বারা বাক্যের সমাপ্তি না ঘটায় এটি অসমাপিকা ক্রিয়া।
যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তার নাম প্রকৃতি।
যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে নাম প্রকৃতি বলে। যেমন - √চল্ (ক্রিয়াপ্রকৃতি) + অন (কৃৎ প্রত্যয়) = চলন, √পড় + উয়া = পড়ুয়া। এখানে, চল্ ও পড় হলো প্রকৃতি এবং অন ও উয়া হলো প্রত্যয়।
জব সলুশন