কোন ব্রিটিশ শাসকের সময় ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হয়?
৩ জুন ,১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ ভাইসরস লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত ভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
১৮ জুলাই,১৯৪৭ সালে মাউন্টব্যাটেন এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারত স্বাধীনতা আইন পাশ হয় ।
এই আইনের ফলে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় ।
ফলে ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয় ।
Related Questions
দিবেহী ভাষা বা মালদ্বীপীয় ভাষা মালদ্বীপের সরকারি ভাষা। এই দ্বীপগুলির প্রায় সবাই দিবেহী ভাষার বিভিন্ন উপভাষায় কথা বলেন। এছারাও এখানে সিংহলি ভাষা, আরবি ভাষা এবং বিভিন্ন ভারতীয় ভাষার প্রচলন আছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়।
'কুসুম্বা মসজিদ'টি অবস্থিত নওগাঁ।
কুসুম্বা মসজিদ বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার কুসুম্বা গ্রামের একটি প্রাচীন মসজিদ। কুসুম্বা দিঘির পশ্চিম পাড়ে, পাথরের তৈরি ধুসর বর্ণের মসজিদটি অবস্থিত। বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে এই মসজিদের ছবি দেওয়া আছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৪০ নং অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ (৪০): আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হইয়া থাকিলে অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।
ভারতের মোট ৫টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
রাজ্যগুলো হলো:
পশ্চিমবঙ্গ,
ত্রিপুরা,
মেঘালয়,
মিজোরাম এবং
আসাম।
পূর্ব ভারতের ৭টি অঙ্গরাজ্য। আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর, অরুণাচলও নাগাল্যান্ডকে একত্রে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
জব সলুশন