বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

ক) ৭
খ) ৮
গ) ১০
ঘ) ১২
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন:

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (ক্যাপ্টেন)

হামিদুর রহমান (সিপাহী)

মোস্তফা কামাল (সিপাহী)

মোহাম্মদ রুহুল আমিন (ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসিয়ার)

মতিউর রহমান (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট)

মুন্সী আব্দুর রউফ (ল্যান্স নায়েক)

নূর মোহাম্মদ শেখ (ল্যান্স নায়েক) 

 

এছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য অন্যান্য খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা নিম্নরূপ:

বীর উত্তম: ৬৮ জন

বীর বিক্রম: ১৭৫ জন

বীর প্রতীক: ৪২৬ জন 

 

Related Questions

ক) বলেশ্বর
খ) হাড়িয়াভাঙ্গা
গ) ভৈরব
ঘ) রূপসা
Note :

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। এটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার কাছে ছিল, যা ভারতের নিকট পূর্বাশা বা নিউমুর নামে পরিচিত ছিল। ২০১০ সালের দিকে দ্বীপটি পুরোপুরি সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। 

ক) টেকের হাটে
খ) রাণীগঞ্জে
গ) বিয়ানীবাজারে
ঘ) বিজয়পুরে
Note :

বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে সবচেয়ে বড় চীনামাটির (সাদামাটি বা কেওলিন) খনি ও সন্ধান পাওয়া গেছে। ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর প্রথম এই সন্ধান পায়।

ক) স্মৃতি অংশ
খ) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ
গ) কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট যান্ত্রিক সরঞ্জাম
ঘ) শক্ত ধাতব অংশ
Note :

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলতে মূলত কম্পিউটার এবং এর সাথে সম্পর্কিত সকল বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ ভৌত বা যান্ত্রিক সরঞ্জামকে বোঝায়, যা খালি চোখে দেখা যায় এবং স্পর্শ করা যায়।

ক) কমে
খ) বাড়ে
গ) একই থাকে
ঘ) অর্ধেক হয়ে যায়
Note :

যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা (নিরক্ষরেখা) থেকে মেরুতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তার ওজন বাড়ে । পৃথিবী পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর বিষুবীয় অঞ্চল স্ফীত এবং মেরু অঞ্চল কিছুটা চাপা। এর ফলে বিষুবরেখায় পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে কম। যেহেতু ব্যাসার্ধ কম, মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ (\(g\)) এর মান বিষুবরেখার চেয়ে বেশি হয়। 

ওজনের সূত্রটি হলো—
\(\text{ওজন } (W) = \text{ভর } (m) \times \text{অভিকর্ষজ ত্বরণ } (g)\) 

ত্বরণের মান বেড়ে যাওয়ার কারণে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও বৃদ্ধি পায়।

ক) লক্ষণ সেন
খ) ইলিয়াস শাহ
গ) আকবর
ঘ) বিজয় সেন
Note :

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর । কৃষকদের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে এবং হিজরি বর্ষপঞ্জির সাথে ফসলি সনের সমন্বয় করতে সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে) এই নতুন বর্ষপঞ্জি প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর করা হয়েছিল আকবরের সিংহাসন আরোহণের বছর থেকে । 

ক) বিক্ষেপণ
খ) প্রতিফলন
গ) প্রতিসরণ
ঘ) পোষণ
Note :

সমুদ্রকে নীল দেখানোর সঠিক উত্তরটি হলো বিক্ষেপণ

সূর্য থেকে আসা সাদা আলোর মধ্যে সাতটি রঙ থাকে। যখন এই আলো সমুদ্রের পানিতে পড়ে, তখন পানি লাল, কমলা ও হলুদের মতো দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে নেয়। অপরদিকে, নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হওয়ায় তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বা বিক্ষিপ্ত হয়, যার ফলে আমাদের চোখে সমুদ্রের পানি নীল রঙের দেখায়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন