নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন?

ক) লোহায় মরিচা ধরা
খ) তাপ দ্বারা মোম গলানো
গ) বরফ গলে পানি হওয়া
ঘ) লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

লোহায় মরিচা ধরা একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। 

বাতাসের অক্সিজেন এবং জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার সাথে লোহার  রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সম্পূর্ণ নতুন ধর্ম ও গঠনের একটি পদার্থ, আয়রন অক্সাইড বা মরিচা তৈরি হয়। যেহেতু এতে মূল পদার্থের রাসায়নিক গঠন বদলে যায় এবং এটি একটি স্থায়ী বা অপরিবর্তনীয় প্রক্রিয়া, তাই এটি রাসায়নিক পরিবর্তন। 

Related Questions

ক) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
গ) চিনি
ঘ) সালফিউরিক এসিড
Note :

সোডিয়াম যৌগ বা খাবার লবণ স্বচ্ছ ,বর্ণহীন কঠিন পদার্থ এবং পানিতে অতি দ্রবণীয় ।
 চিনি এবং সালফিউরিক এসিড উভয় পানিতে দ্রবণীয় ।
বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিড ঘন তৈলাক্ত তরল পদার্থ , যা পানিতে সকল অনুপাতে মিশ্রনীয় ।পক্ষান্তরে ,ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রকৃতিতে চুনাপাথর , মারবেল পাথর,চক ও অন্যান্যরূপে বিদ্যমান ,যা বিশুদ্ধ পানিতে অদ্রবণীয় হলেও কার্বন ডাই - অক্সাইড মিশ্রিত পানিতে দ্রবীভূত হয় ।

ক) তামা
খ) রূপা
গ) সোনা
ঘ) কার্বন
Note :

যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে পারে তাকে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের এ ধর্মকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে।
- তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- তবে যার রোধ যত কম তার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তত বেশি।
- এক্ষেত্রে রূপার রোধ সবচেয়ে কম বলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।

 


 

ক) পরিবন
খ) পরিচলন
গ) বিকিরণ
ঘ) এর কোনোটিই নয়
Note :

যে পদ্ধতিতে তাপ পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে বা উষ্ণতর বস্তু শীতলতার বস্তুতে সঞ্চালিত হয় সে পদ্ধতিকে পরিবহন বলে । যে পদ্ধতিতে তাপ কোন পদার্থের অনুগুলুর চলাচল দ্বারা উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চালিত হয় তাকে পরিচিলন বলে। যে পদ্ধতিতে তাপ জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গের আকারে উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকিরণ বলে ।বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সবচেয়ে দ্রুত সঞ্চালিত হয়।

ক) পঙ্কিল
খ) অপরিস্কার
গ) নোংরা
ঘ) অনির্মল
Note :

'নির্মল' বিশেষণবাচক শব্দটির অর্থ ঃ স্বচ্ছ , যার বিপরীত শব্দ পঙ্কিল ।

 


 

ক) জলধি
খ) পয়োধি
গ) জলধর
ঘ) শৈবলিনী
Note :

সঠিক উত্তর শৈবলিনী

'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ - শৈবলিনী। নদী শব্দের সমার্থক শব্দ - তটিনী, স্রোতস্বিনী, শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিণী। বাকি তিনটি সমুদ্র এর সমার্থক শব্দ।

ক) আসন্ন বিপদ
খ) মাথাব্যথা
গ) মহাবিপদ
ঘ) মাথার বোঝা
Note :

শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ -আসন্ন বিপদ ও উপস্থিত মহাবিপদ ।শিরঃপীরা শব্দের অর্থ - মাথার যন্ত্রণা বা মাথাধরা।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন