বাংলা সনের প্রবর্তক কে ?

ক) লক্ষ্মণ সেন
খ) সম্রাট আকবর
গ) আবুল ফজল
ঘ) বখতিয়ার খলজি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক মত অনুযায়ী, মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবিদের মতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট আকবর রাজস্ব ও খাজনা আদاয়ের সুবিধার্থে বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ চালু করেন। হিজরি চান্দ্র বর্ষ কৃষিকাজের সঙ্গে মিলে না চলায় তিনি সৌর বর্ষপঞ্জির প্রচলন করেন, যার গণনা শুরু হয় আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর তথা ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে।

Related Questions

ক) বহুব্রীহি সমাস
খ) তৎপুরুষ সমাস
গ) দ্বিগু সমাস
ঘ) কর্মধারয় সমাস
Note :

সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমন :

তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা তিন মাথার সমাহার = তেমাথা

শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী

এরূপ : অষ্টধাতু, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গা, ত্রিমোহিনী, তেরনদী, পঞ্চভূত, সাতসমুদ্র ইত্যাদি।

দ্বিগু সমাসের গাণিতিক গঠন = সংখ্যা + বিশেষ্য + র/এর + সমাহার = দ্বিগু সমাস

ক) সাতও না পাঁচও না
খ) আদায় কাঁচকলায়
গ) সাপে-নেউলে
ঘ) দা-কুমড়া
Note :

আদায় কাঁচকলায়, সাপে নেউলে, দা-কুমড়া, এগুলোর অর্থ = ভীষণ শত্রুতা। তাই এখানে, 'সাতেও না পাঁচেও না' স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে।

ক) নিঃশোষিত
খ) নীরস
গ) মাধুরিয়া
ঘ) অধীনী
Note :

নীরস বানানটি শুদ্ধ।  বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধি (নিঃ + রস = নীরস) ও রেফ-এর পর 'র' থাকলে 'র'-এর পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। এই নিয়মের কারণে 'নি' এর স্থানে 'নী' এবং 'র' যুক্ত হয়ে শব্দটি নীরস (রসশূন্য বা শুষ্ক) হিসেবে গঠিত হয়।

ক) কোলন
খ) ড্যাস
গ) হাইফেন
ঘ) সেমিকোলন
Note :

কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।একটি অপূর্ন বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারনা করতে হলে কোলন বসে।যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস চিহ্ন বসে।

ক) কাঠের পুতুল
খ) তীব্র জ্বালা
গ) কূপমন্ডূক
ঘ) কেতাদুরস্ত
Note :

কেতা দুরস্ত - পরিপাটি

কূপ মণ্ডূক - ঘরকুনো, সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন

কাঠের পুতুল - নির্জীব /অসার

কুল কাঠের আগুন - তীব্র জ্বালা

তাই সঠিক উত্তর: তীব্র জ্বালা।

ক) বর্জনীয়
খ) গ্রহণীয়
গ) প্রাসঙ্গিক
ঘ) যৌক্তিক
Note :

সারাংশ লিখনে ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার - বর্জনীয়। সারাংশ বলতে সাধারণত মূলভাবকে বোঝায়। উপমা, অলংকার, প্রবাদ প্রবচন, বাগধারা, উক্তি - এগুলো মূলত সারাংশের বর্জনীয় বিষয়। শুধুমাত্র মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরতে হবে।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন