বাংলাদেশ সরকার কোন সালে 'জাতীয় পরিবেশ নীতি' ঘোষণা করে?

ক) ১৯৯৫
খ) ১৯৯৭
গ) ১৯৯৯
ঘ) ১৯৯২
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ সরকার ১৯৯২ সালে প্রথম 'জাতীয় পরিবেশ নীতি' (National Environmental Policy) ঘোষণা করে। পরবর্তীতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর জোর দিয়ে সরকার ২০১৮ সালে এই নীতিমালাটি হালনাগাদ করে।

Related Questions

ক) ৩,৮৪,০০০ কিমি
খ) ৩,৯৫,০০০ কিমি
গ) ৪,০৫,০০০ কিমি
ঘ) ৪,২০,০০০ কিমি
Note :

পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ৩, ৮৪, ০০০ কিমি।

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহৎ উপগ্রহ।

পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪, ৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮, ৮৫৭ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ।

ক) শ্বেতসার
খ) ভিটামিন
গ) আমিষ
ঘ) খনিজ লবণ
Note :

কোয়াশিয়রকর রোগ আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে হয়।

সাধারণত খাদ্যে পর্যাপ্ত ক্যালরি থাকলেও আমিষের চরম ঘাটতি থাকলে এই রোগটি দেখা দেয়। এটি মূলত ১ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে মায়ের বুকের দুধ ছাড়ানোর পর যখন শিশুদের আমিষযুক্ত খাবার (যেমন—মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ইত্যাদি) দেওয়া হয় না।

ক) আমিষ
খ) শ্বেতসার
গ) স্নেহ জাতীয়
ঘ) ভিটামিন
Note :

'মিষ্টি আলু' শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য।

উদ্ভিদে শ্বেতসার বা স্টার্চ সঞ্চিত পদার্থ রূপে বিরাজ করে। স্টার্চ একটি পলিস্যাকারাইড। এর সাধারণ সংকেত (C6H10O5)n।

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গ্লুকোজের অধিকাংশই পরিবর্তিত হয়ে শ্বেতসারে পরিণত হয়। শ্বেতসার সাধারণত ঘনীভূত দানা হিসেবে উদ্ভিদ কোষে বিরাজ করে এবং এদের আকার - আকৃতি বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্ন রকম।

বীজ, ফল, কন্দ প্রভৃতি সঞ্চয়ী অঙ্গে শ্বেতসার জমা হয়। ধান, গম, আলু শ্বেতসারের প্রধান উৎস।

ক) ভিটামিন 'এ'
খ) ভিটামিন 'বি'
গ) ভিটামিন 'সি'
ঘ) ভিটামিন 'ডি'
Note :

ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রেটিনায় প্রয়োজনীয় রঞ্জক পদার্থ বা 'রোডপসিন' তৈরি ব্যাহত হয়, যার ফলে কম আলো বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।

ক) সচেতনতা সৃষ্টি
খ) শিক্ষার ব্যবস্থা
গ) আক্রান্তদের এড়িয়ে চলা
ঘ) আক্রোন্তদের প্রতি যত্নবান হওয়া
Note :

এইডস (এইচআইভি) প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতাই একমাত্র এইচআইভি সংক্রমণ এড়াতে সহায়তা করে।

ক) ব্লাড ক্যান্সার
খ) চর্ম ক্যান্সার
গ) ব্রেন ক্যান্সার
ঘ) এইডস
Note :

আলট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনী রশ্মি (UV) প্রধানত চর্ম ক্যান্সার (Skin Cancer) বা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। সূর্যের এই ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের কোষের ডিএনএ-তে (DNA) সরাসরি ক্ষতি করে, যার ফলে মেলানোমা (melanoma), বেজাল সেল কার্সিনোমা (basal cell carcinoma), এবং স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা (squamous cell carcinoma)-এর মতো মারাত্মক চর্ম রোগ দেখা দেয়।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন