কোনো স্থানে সময় যখন রবিবার সকাল ৬টা তখন এর ১৮০ ডিগ্রী পশ্চিম দিকে অবস্থিত স্থানের সময় হবে---
আমরা জানি ১⁰ =৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয় । কোন স্থান থেকে পশিমে গেলে সময় কমবে এবং পূর্বে গেলে সময় বাড়বে । কোন স্থানে সময় যখন রবিবার সকাল ৬ টা তখন ১৮০⁰ পশ্চিমে সময় হবে শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা । কারণ
১⁰ =৪ মিনিট
১৮০⁰ =৭২০ মিনিট
=১২ ঘণ্টা
Related Questions
কুয়েত পারস্য উপসাগরের (Persian Gulf) উত্তর-পশ্চিম তীরে অবস্থিত । এটি পশ্চিম এশিয়ার আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত একটি স্বাধীন দেশ । দেশটির পূর্বে পারস্য উপসাগর, উত্তরে ইরাক এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে সৌদি আরব অবস্থিত । কুয়েতের উপকূলরেখা প্রায় ৫০০ কিলোমিটার বিস্তৃত ।
পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ভিতরে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কমে যাবে।কারণ, মাধ্যাকর্ষণ বল পৃথিবীর ভরের উপর নির্ভর করে এবং ভর পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে কেন্দ্রীভূত থাকে।
- যেহেতু পৃথিবীর ভর কেন্দ্রের দিকে ঘনীভূত, তাই পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে হতে পারে। কিন্তু, মাধ্যাকর্ষণ বল পৃথিবীর সকল বস্তুকণার মধ্যে ক্রিয়া করে।
- যখন আমরা পৃথিবীর ভিতরে যাই, তখন আমাদের উপরে থাকা পৃথিবীর অংশের ভর আমাদের উপর অভিকর্ষ বল প্রয়োগ করে না। ফলে, পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ভিতরে গেলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কমে যাবে।
আদমসুরত বলা হয় - - - কালপুরুষকে।
পৌষ - মাঘ মাসে সন্ধ্যা রাত্রিতে পূর্ব আকাশে শিকারি বেশে মনুষ্য আকৃতির একটি নক্ষত্রমন্ডল দেখা যায়। এটিকে কালপুরুষ বা আদম সুরত বলে। উত্তর আকাশের কাছাকাছি যে সাতটি উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা যায় সেগুলো কে সপ্তর্ষিমণ্ডল বলে।
-একটি জ্বলন্ত মোমবাতিতে কাঁচের গ্লাস দ্বারা ঢাকলে মোমবাতি নিভে যায়, কারণ --গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
যে মাটিতে শতকরা ৪০ ভাগ থেকে ৫০ ভাগ কর্দম কণা থাকে তাকে এঁটেল মাটি বলে ।এঁটেল মাটিকে ভারী মাটি বলে ।এই মাটির সচ্ছিদ্রতা কম । তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি । কিন্তু নিষ্কাশন ক্ষমতা কম । পানির সংস্পর্শে এঁটেল মাটি খুব নরম হয় ।আবার শুকালে শক্ত হয় ।প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে এ মাটিকে দোআঁশ মাটিতে রূপান্তরিত করা হয় ।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। বন হলো ঘন বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদের দ্বারা ঘেরা একটি এলাকা। বিভিন্ন মাপকাঠির ভিত্তিতে, বনের নানান ধরনের সংজ্ঞা আছে। ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সংজ্ঞা অনুযায়ী, ২০০৬ সালে অরণ্য চার বিলিয়ন হেক্টর (১৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল) বা বিশ্বের জমির প্রায় ৩০ শতাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে। এই বনাঞ্চল অনেক প্রাণীর লালনক্ষেত্র হিসেবেও যেমন কাজ করে তেমনি বিভিন্ন নদী - নালার পথ পরিবর্তন, মাটি সংরক্ষণের মতো কাজ করে।
জব সলুশন