কোনটি পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার?

ক) বায়ু
খ) মাটি
গ) পানি
ঘ) গাছপালা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মাটি পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক শোধনাগার। 

-এটি একটি জটিল বাস্তুতন্ত্র যা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক এবং শেত্তলা সহ বিভিন্ন জীব ধারণ করে। এই জীবগুলি মৃত গাছপালা এবং প্রাণীর মতো জৈব পদার্থকে ভেঙে দেয় এবং এই পদার্থগুলিতে সঞ্চিত শক্তিকে ছেড়ে দেয়। এই শক্তি পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কয়লার মতো নতুন যৌগগুলিকে সংশ্লেষ করতে ব্যবহৃত হয়।

-এছাড়াও মাটি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যৌগগুলির একটি প্রধান উৎস, যেমন ভিটামিন, খনিজ এবং হরমোন। এই যৌগগুলি উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।

Related Questions

ক) ব্যাপন
খ) রেচন
গ) শ্বসন
ঘ) অভিস্রবণ
Note :

প্রাণী শ্বসন (Respiration) নামক জৈবিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় প্রাণীরা পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং শরীরের কোষে সঞ্চিত খাদ্যের সাথে অক্সিজেনের বিক্রিয়া ঘটিয়ে শক্তি (ATP) উৎপাদন করে। এর ফলে উপজাত বা বর্জ্য পদার্থ হিসেবে পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়, যা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

ক) ইয়েমেন
খ) জর্ডান
গ) কাতার
ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
Note :

'এডেন' সমুদ্রবন্দরটি ইয়েমেনে অবস্থিত।

আকাবা সমুদ্র বন্দরটি জর্ডানে অবস্থিত।

ক) কফি আনান
খ) উ থান্ট
গ) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ঘ) ভুট্রোস ঘালি
Note :

একাত্তরে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন মায়ানমারের নাগরিক উ থান্ট।

ক) সাইট্রিক এসিড
খ) অ্যাসকরবিক এসিড
গ) অ্যাসিটিক এসিড
ঘ) অক্সালিক এসিড
Note :

ভিটামিন সি হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (Ascorbic Acid)। এটি পানিতে দ্রবণীয় একটি পুষ্টি উপাদান এবং মানবদেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এর রাসায়নিক সংকেত হলো C₆H₈O₆। 

ক) অক্সিজেন
খ) নাইট্রোজেন
গ) ওজোন
ঘ) হিলিয়াম
Note :

বায়ুমণ্ডলের ওজোন (Ozone) নামক গ্যাসীয় উপাদান এবং ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি (UV) রশ্মিকে শোষণ করে। এটি প্রধানত বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থান করে এবং পৃথিবীর জীবজগৎকে এর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা করে।

ক) ভূ-পৃষ্ঠে
খ) ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার উপরে
গ) ভূ-কেন্দ্রে
ঘ) ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার নিচে
Note :

কোনো একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বা ভর বলে। 

আমরা জানি, 
ওজন w=mg;
এখানে m = বস্তুর ভর
এবং g = অভিকর্ষজ ত্বরণ ।
বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। সুতরাং কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি , সে স্থানে বস্তুর ওজন সে স্থানে কম । ভৃপৃষ্ঠ থেকে যতই ওপরে বা নিচে যাওয়া যায় ততই -g এর মান কমতে থাকে।
সে জন্য পাহাড়ে বা খনির ভেতরে - g - এর মান কম।
আবার মেরু অঞ্চলে g- এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি। সুতরাং মেরু বস্তুর ওজন বেশি।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন