বাংলা ভাষায় ছন্দ প্রধানত কত প্রকার?

ক) ২
খ) ৪
গ) ৩
ঘ) ৫
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা ভাষায় ছন্দকে মাত্রাবৃত্ত, স্বরবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত এই তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি সব সময় দুই মাত্রা হিসেবে উচ্চারিত হয়। পঙ্ক্তিতে পর্বগুলো সমান সংখ্যক মাত্রার হয়ে থাকে।
- স্বরবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি সব সময় একমাত্রার।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দে যুগ্মধ্বনি শব্দপ্রান্তিক হলে দু’মাত্রার শব্দের মাঝে বা প্রথমাংশে থাকলে সাধারণত এক মাত্রার ধরা হয়।

Related Questions

ক) বাগ্+অম্বর
খ) বাক্+অম্বর
গ) বাক্+আড়ম্বর
ঘ) বাগ্+আড়ম্বর
Note :

স্বরবর্ণ পরে থাকলে বর্গের প্রথম বর্ণ স্থানে সেই বর্গের তৃতীয় বর্ণ হয় । অর্থাৎ ক , চ , ট ,ত ,প স্থানে যথাক্রমে গ , জ ,ড ,দ ,ব হয়। যেমন - ক + আ=গা --- বাক + আড়ম্বর= বাগাড়ম্বর

ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
খ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ ‌
গ) পঞ্চমী তৎপুরুষ
ঘ) উপমান কর্মধারয়
Note :

সংজ্ঞানুযায়ী মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়। এরূপ কয়েকটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হলো:
- সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন,
- সাহিত্যবিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা,
- স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ = স্মৃতিসৌধ,
- তৈল রঙে আঁকা চিত্র = তৈলচিত্র,
- দুধে মাখানো ভাত = দুধভাত,
- ডাক ফেলার বাক্স = ডাকবাক্স,
- চালে জন্মায় যে কুমড়া = চালকুমড়া,
- ছায়াপ্রধান তরু = ছায়াতরু প্রভৃতি।

'জ্যোৎস্নারাত' এর ব্যাসবাক্য-জ্যোৎস্না শোভিত রাত। যেহেতু মধ্যপদ লোপ পেয়েছে তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।

ক) অর্নব
খ) রাতুল
গ) অর্ক
ঘ) জলধি
Note :

আফতাব অর্থ সূর্য।  সূর্যের সমার্থক শব্দ গুলো -  রবি,  সবিতা, দিবাকর,  দিনমনি,  দিননাথ,  দিবাবসু,  অর্ক,  ভানু,  তপন,  আদিত্য,  ভাস্কর,  মার্তণ্ড,  অংশু,  প্রভাকর,  কিরণমালী,  অরুণ,  মিহির,  পুষা,  সূর,  মিত্র,  দিনপতি,  বালকি,  অর্ষমা।  

ক) সাদৃশ্য
খ) স্নায়ুতনএ
গ) শারীরবিদ্যা
ঘ) অঙ্গ-সঞ্চালন
Note :

Anatomy শব্দের বাংলা অর্থ শারীরস্থান বা শারীরবিদ্যা, যা মূলত জীবদেহের গঠন, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং অভ্যন্তরীণ বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করে।

ক) সূর্য
খ) সমুদ্র
গ) যুদ্ধক্ষেএ
ঘ) সৈনিক
Note :

'অনীক' শব্দের অর্থ হলো সৈনিক, সৈন্যদল

ক) শূন্যতায়
খ) কঠিন পদার্থের
গ) তরল পদার্থের
ঘ) বায়বীয় পদার্থের
Note :

 কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। শব্দ উৎস থেকে মস্তিস্কে বা কানে আসতে কিছুটা সময় নেয়। শব্দ কোন মাধ্যমে একক সময়ে যে দুরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের গতি বলে। S.I. পদ্ধতিতে শব্দের গতির একক মিটার প্রতি সেকেন্ড(মিটার/সেকেন্ড বা মি/সে)। শব্দ সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। শব্দের বেগ জড় মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাই বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ বিভিন্ন হয়। এজন্য কঠিন, তরল ও বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগের তারতম্য হয়। ২০°C তাপমাত্রায় বায়ুতে, পানিতে ও লোহায় শব্দের বেগ যথাক্রমে ৩৩২মি/সে, ১৪৫০মি/সে ও ৫১৩০মি/সে। অর্থাৎ বায়ুতে শব্দের বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি এবং কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি। মাধ্যমের প্রকৃতি ছাড়াও তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতার উপরেও শব্দের বেগ নির্ভর করে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে বায়ুতে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায় এবং একইভাবে বায়ুর আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলেও শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম এবং শুন্যস্থানে শব্দের বেগ শুন্য; উল্লেখ্য, শব্দ মাধ্যম ছাড়া পরিবাহিত হতে পারে না। তাই শূণ্যতায় শব্দের কোন অস্তিত্বই নেই।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন