মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর রচনা কোনটি?
Related Questions
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়ের (১৮৩৮ - ১৮৯৪) বিখ্যাত উপন্যাস 'কপালকুন্ডলা' (১৮৬৬) । উপন্যাসটিতে কিছু বিখ্যাত উক্তি আছে। যেমন - 'তুমি অধম' তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন? 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ? ইত্যাদি।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
* গাছপাথর : হিসাবনিকাশ
* জগদ্দল পাথর :গুরুভার
* চক্ষু চড়ক গাছ : বিস্ময়
* চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য , প্রিয়জনের সমাগম
* ব্যাঙের সর্দি : অসম্ভব ব্যাপার
* রাবণের চিতা : চির অশান্তি
* ঢাকের বায়া : মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়
* গৌড়চন্দ্রিকা : ভুমিকা
'মা ছিলনা বলে কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি।' এটি জটিল বাক্য।
রেফারেন্স :- নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ (পুরাতন + নতুন)
বি:দ্র:- বাজারের প্রচলিত অনেক বইয়ে "সরল বাক্য" দেয়া।
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন-
স্নেহময়ী জননী স্বীয় সন্তানকে প্রাণাপেক্ষা ভালবাসেন;
‘তার দর্শনমাত্রই আমরা প্রস্থান করলাম’;
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো 'ধ্বনি' । এটা ভাষার মৌলিক অংশ । ধ্বনির লিখিত রুপ হলো 'বর্ণ' । শব্দের অংশ হলো অক্ষর। বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক বা অংশকে শব্দ বলে।
‘বাতাস’ শব্দের সমার্থক শব্দ : মারুত, পবন, অনিল, সমীর, রাত, মরুৎ ইত্যাদি। পক্ষান্তরে, ‘পাবক’ শব্দের সমার্থক শব্দ : অগ্নি, আগুন, অনল, বহ্নি ইত্যাদি।
জব সলুশন