বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে– বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা:
ক. প্রাচীন বা আদি যুগ (৬৫০-১২০০)
খ. মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০) এবং
গ. আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান পর্যন্ত)।
Related Questions
১৯৮৫ সালে নাসির উদ্দীন স্বর্ণ পদক পান বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ আলী আহসান।
হাঙর নদী গ্রেনেড একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর রচিয়তা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই উপন্যাসে এক সাধারণ মায়ের চরম আত্মত্যাগের সত্য ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।
'দেয়াল ' কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের রাজনৈতিক উপন্যাস। ২০১১ সালে তিনি এ উপন্যাস রচনা শুরু করেন যা তার মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি ছাড়াও 'দেয়াল' (১৯৮৫) নামে উপন্যাস রচনা করেছেন- আবু জাফর শামসুদ্দীন ।
কবি ও সাংবাদিক শামসুর রাহমান এর সাহিত্য কর্মের মধ্যে কাব্যগ্রন্থ তার উল্লেখ্যযোগ্য সৃষ্টি। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার মোট ৬৫টি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো,
- “প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে”,
- “রৌদ্র করোটিতে”,
- “নিরালোক দিব্যরথ",
- “নিজবাসভূমে”,
- “আমি অনাহারী”
- "স্বাধীনতা তুমি",
- “তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা" ইত্যাদি।
‘রাখালী’ পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত প্রথম গ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ।
- ‘কবর’ কবিতাটি এ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- কবিতাটি ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- রাখালী, নকশী কাঁথার মাঠ, বালুচর, ধানক্ষেত, সোজন বাদিয়ার ঘাট, মাটির কান্না, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি পল্লী কবি জসীমউদ্দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- এছাড়া চৈতালীর রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
- ফনিমনসা কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম এবং
- আলো পৃথিবী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জীবনানন্দ দাস।
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক 'কবর' যার রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ১৯৫৫ সালের আগস্ট মাসে 'সংবাদ' পত্রিকার আজাদী সংখ্যায় কবর প্রথম প্রকাশিত হয় । এর ১০ বছর পর হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের দ্বিতীয় সংস্করণে নাটকটি পুনর্মুদ্রিত হয়।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
জব সলুশন