Johannesburg Plan of Implementation সুশাসনের সঙ্গে নিচের কোন বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়?
জোহানেসবার্গ বাস্তবায়ন পরিকল্পনা (Johannesburg Plan of Implementation) সুশাসনের সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন (Sustainable Development) বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়। ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে এই রূপরেখা গ্রহণ করা হয়।
Related Questions
“আইনের চোখে সব নাগরিক সমান”—বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে (ধারা) এ নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা MDG এর প্রধান লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য নির্মূল করা । আর দরিদ্রতা দূর করার জন্য স্বাভাবিকভাবেই দারিদ্র্য মানুষের ন্যূনতম দৈনিক আয় ১.২৫ ডলারের উপর করতে হবে দারিদ্র্যসীমার মধ্য থেকে বের হয়ে আসার জন্য । আর এজন্যই MDG -এর লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের অর্থনৈতিক বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয় ।
গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সুশাসন হলো একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়, যা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ইত্যাদি বিষয়গুলো পূর্ণমাত্রায় বজায় থাকলেও যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়টি না থাকে তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সুশাসন থাকে না । কেননা, মত প্রকাশের স্বাধীনতার মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় যাবতীয় কাজের সমালোচনা করে সুন্দর রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় ।
কোনো সমাজে একক কোনো নীতিমালা মূল্যবোধের আকার ধারণ করে তালিকা নির্ধারণ করা অত্যান্ত শক্ত, তবে আইনের শাসন, সহনশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার নীতি ও ঔচিত্যবোধ গণতান্ত্রিক সমাজে সর্বজনস্বীকৃত উপাদান আর এসবের উপর ভিত্তি করেই সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে উঠে ।
মূল্যবোধের সংজ্ঞা সম্পর্কে জে. টি. স্পেন্সার বলেছেন 'মূল্যবোধ হলো একটি মানদণ্ড, যা আচরণের ভাল মন্দ বিচারের এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন লক্ষ্য হতে কোনো একটি বিষয় পছন্দ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় ।
নীতিবিদ্যা সমাজে বসবাসকারী মানুষের কাজের ভাল - মন্দ , উচিত - অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে । আর উপযুক্ত বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই ঐচ্ছিক কাজ । অকস্মাৎ ঘটে যাওয়া ও অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কোনো কর্মকাণ্ড নীতিবিদ্যা আলোচনা করে না।
জব সলুশন