মাইট্রোকল্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন?

ক) . ৭০
খ) ৭২%
গ) ৭৩%
ঘ) ৮০%

Related Questions

ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
খ) বিটা রশ্মি
গ) গামা রশ্মি
ঘ) কসমিন রশ্মি
Note :

বাজারে প্রচলিত অনেক গাইড বইয়ে এটার উত্তর 'গামা' দেওয়া আছে যা ভুল। আমরা জানি 'গামা' একটা তেজস্ক্রিয় রশ্মি যেটা উচ্চ পারমাণবিকসংখ্যা ও উচ্চ পারমাণবিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট মৌলিক পদার্থ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্গত হয়।  রঙিন টেলিভিশন Cathode Ray Tube ব্যবহিত হয়, এই Cathode Ray Tube হতে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি তৈরি হয়।

ক) ১৬৯
খ) ২২৫
গ) ২৫৬
ঘ) ২৫২
Note :

প্রদত্ত ধারাটি লক্ষ্য করি:
৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪

ধারাটির পদগুলোকে বিশ্লেষণ করলে পাই:
প্রথম পদ = ৯ = ৩২
দ্বিতীয় পদ = ৩৬ = ৬২
তৃতীয় পদ = ৮১ = ৯২
চতুর্থ পদ = ১৪৪ = ১২২

আমরা দেখতে পাচ্ছি, সংখ্যাগুলো ৩ এর গুণিতক ক্রমিক সংখ্যার বর্গ।
অর্থাৎ, ৩, ৬, ৯, ১২ ক্রমের সংখ্যাগুলোর বর্গ।

এখানে সংখ্যাগুলোর ক্রম:

৩ + ৩ = ৬
৬ + ৩ = ৯
৯ + ৩ = ১২

সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে (১২ + ৩) বা ১৫ এর বর্গ।
অতএব, পঞ্চম বা পরবর্তী পদ = ১৫২ = ২২৫

ক) ২৩২৫৮
খ) ১৩২৫৬
গ) ১১২৫৪
ঘ) ১০৪১৬
Note :

ধারার যোগফল ১০৪১৬ । 

ক) ইসরাইল ও জর্ডান
খ) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
গ) চীন ও তাইওয়ান
ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
Note :

‘লাইন অব কন্ট্রোল’ (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চলের একটি ডি ফ্যাক্টো (De facto) বা কার্যকরী সীমান্তরেখা, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত চূড়ান্ত সীমানা নয়।
⇒ ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যে যুদ্ধবিরতি রেখা বা ‘Cease-fire Line’ নির্ধারিত হয়েছিল, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ‘শিমলা চুক্তি’ (Simla Agreement) অনুযায়ী সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ রাখা হয়।
⇒ এই রেখাটি কাশ্মীর উপত্যকাকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে: এক অংশ ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং অন্য অংশ পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বাল্টিস্থান। এই রেখাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার।
পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই ‘র‍্যাডক্লিফ লাইন’-এর সাথে এটি গুলিয়ে ফেলেন। মনে রাখা প্রয়োজন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ভারত ও পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের (পাঞ্জাব ও বাংলা) যে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছিল, তার নাম ‘র‍্যাডক্লিফ লাইন’। আর কাশ্মীরের সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা হলো ‘লাইন অব কন্ট্রোল’।

অতিরিক্ত তথ্য: চীন ও ভারতের মধ্যকার সীমান্তরেখাকে বলা হয় ‘লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ (LAC) এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার বিভাজনকারী রেখাকে বলা হয় ‘৩৮তম অক্ষরেখা’ (38th Parallel)।

ক) ৭০মিটার
খ) ৭৫ মিটার
গ) ৮০ মিটার
ঘ) ৯০ মিটার
Note :

আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ x মিটার হলে দৈর্ঘ্য ৩x মিটার

ক্ষেত্রফল = (x × ৩x) = ৩x২ বর্গমিটার

পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + গ্রন্থ)

= ২ (৩x + x) মিটার = ৮x মিটার

শর্তমতে, ৩x২ = ৩০০

বা, x২ = = ১০০

 x = ১০

আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা = (৮ × ১০) = ৮০ মিটার।

ক) ১৬ বর্গমিটার
খ) ১৫ বর্গমিটার
গ) 1৭ বর্গমিটার
ঘ) ১৪ বর্গমিটার
Note :

আমরা জানি, ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য a, b এবং c হলে, এর অর্ধপরিসীমা,
s=a+b+c2
এখানে, বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে a=5 মিটার, b=6 মিটার এবং c=7 মিটার।
অতএব, অর্ধপরিসীমা,
s=5+6+72
=182
=9 মিটার।
এখন, ‘হিরন-এর সূত্র’ (Heron's Formula) অনুযায়ী ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল:
=s(s−a)(s−b)(s−c)−−−−−−−−−−−−−−−−−√
=9(9−5)(9−6)(9−7)−−−−−−−−−−−−−−−−−√
=9×4×3×2−−−−−−−−−−−√
=216−−−√
=14.6969...
যেহেতু প্রশ্নে নিকটতম বর্গমিটারে উত্তর চাওয়া হয়েছে, তাই 14.69 কে আসন্নমানে 15 ধরা হয়।
সুতরাং, নির্ণেয় ক্ষেত্রফল ১৫ বর্গমিটার (প্রায়)।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন