এক বাক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পর অবশিষ্ট ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে, তার নিকট ১০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত ?
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ
অবশিষ্ট রইলো = (১ - ৩/৭)
= (৭ - ৩)/৭
= ৪/৭ অংশ
৪/৭ এর ৫/১২ অংশ = ৫/২১অংশ
প্রশ্নমতে,
(৪/৭) - (৫/২১)অংশ = ১০০০
বা, (১২ - ৫)/২১ অংশ = ১০০০
বা, ৭/২১অংশ = ১০০০
বা, ১ অংশ = (২১ × ১০০০) ÷ ৭
= ৩০০০ টাকা
Related Questions
যদি কোন ভগ্নাংশের লব ও হরের মধ্যে কোন সাধারণ উৎপাদক বা গুননীয়ক না থাকে তবে ঐ ভগ্নাংশকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে বোঝায়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র (গ) ভগ্নাংশটির অর্থাৎ ১১৩/৩৫৫ এর লব ও হরের মধ্যে কোন সাধারণ উৎপাদক নেই।
অন্যদিকে, ৭৭/১৪৩ এর সাধারণ গুণনীয়ক ১১, ১০২/২৮৯ এর সাধারণ গুণনীয়ক ১৭ এবং ৩৪৩/১০০১ এর সাধারণ গুণনীয়ক ৭।
সুতরাং সঠিক উত্তর (গ)।
মূল্য বৃদ্ধির পূর্বে ১০০ একক চালের মূল্য ১০০ টাকা হলে
২৫ % বৃদ্ধিতে - = ১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা
১২৫ টাকায় পাওয়া যায় ১০০ একক
১ টাকায় পাওয়া যায় ১০০/১২৫ একক
১০০ টাকায় পাওয়া যায় = ১০০ × ১০০/১২৫ একক = ৮০ একক
ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে ব্যবহার কমাতে হবে ( ১০০ - ৮০) % = ২০ %
১৫% লাভে, ১০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করে (১০০ + ১৫) = ১১৫ টাকা ∴১২০০ " " " "১১৫×১২০০/১০০ "=১৩৮০ টাকা।
আবার, ৫% ক্ষতিতে, ১০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করে (১০০ - ৫) = ৯৫ টাকা
∴ ১৩৮০ " " " " ৯৫×১৩৮০/১০০" = ১৩১১ টাকা।
স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যকরী একককে নিউরন বা স্নায়ুকোষ বলে। মস্তিষ্ক কোটি কোটি স্নায়ুকোষ (নিউরন) দিয়ে তৈরি।
- এই একটি মাত্র মানব মগজে রয়েছে ১, ০০০ কোটি স্নায়ুকোষ বা নার্ভ সেল।
- মানুষের মস্তিষ্ক' Cerebrum ' 'Cerebellum' এবং 'Brain stem' নিয়ে গঠিত এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে।
- স্নায়ু কোষের মাধ্যমেই মস্তিষ্ক উদ্দীপনা গ্রহণ করে ও উপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যথাস্থানে পৌঁছানোর আগে ধ্বংস হয়ে গেলে এর ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে।
প্রমথ চৌধুরী ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- পৈতৃক নিবাস- পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রাম।
- তাকে বলা হয় বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম- বীরবল।
- প্রমথ চৌধুরীর প্রথম প্রবন্ধ 'জয়দেব' ১৮৯৩ সালে 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- 'হালখাতা' ('ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশ- ১৯০২), এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' (১৯১৪), 'বিশ্বভারতী পত্রিকা' সম্পাদনা করেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৮ সালে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন। উল্লেখ্য, স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নিজ মাতার নামে এ পদক প্রবর্তন করেন।
- তিনি ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ সালে (১৬ ভাদ্র, ১৩৫৩ বঙ্গাব্দ) শান্তিনিকেতনে মারা যান।
• প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থসমূহ:
- 'তেল-নুন-লাকড়ি' (১৯০৬),
- 'বীরবলের হালখাতা' (১৯১৬),
- 'নানাকথা' (১৯১৯),
- 'আমাদের শিক্ষা' (১৯২০),
- 'রায়তের কথা' (১৯২৬),
- 'নানাচর্চা' (১৯৩২),
- 'আত্মকথা' (১৯৪৬),
- 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' (১ম খণ্ড- ১৯৫২, ২য় খণ্ড- ১৯৫৩)।
• কাব্যগ্রন্থ:
- 'সনেট পঞ্চাশৎ' (১৯১৩),
- 'পদচারণ' (১৯১৯)।
• গল্পগ্রন্থ:
- 'চার ইয়ারী কথা' (১৯১৬),
- 'আহুতি' (১৯১৯),
- 'নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ' (১৯৪১)।
• প্রবন্ধ:
- 'যৌবনে দাও রাজটীকা',
- 'বই পড়া',
- 'সাহিত্যে খেলা',
- 'ভাষার কথা'।
• তাঁর বিখ্যাত উক্তি:
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত। (বই পড়া)
- ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে। (ভাষার কথা
বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০ - ১৯৫১ খ্রি) রচিত 'ভবিষ্যতের বাঙালী' (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭) ,প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।
জব সলুশন