কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘মৃত্যুক্ষুধা’। এটি ছাড়াও তিনি আরও দুটি উপন্যাস লিখেছেন, যার নাম ‘বন্ধন-হারা’ এবং ‘কুহেলিকা’।
Related Questions
বিশিষ্ট কবি, কথাসাহিত্যিক , সমালোচক ও শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা (১৯২৮ - ১৯৭১ খ্রি) রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস হলো 'রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) । তার রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - 'নীড় সন্ধানী' (১৯৬৮) এবং 'নিষুতি রাতের গাধা' (১৯৬৯)। বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান (১৯৩৫ - ১৯৭২ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - 'হাজার বছর ধরে' (১৩৭১) , 'আরেক ফাল্গুন' (১৩৭৫) , 'বরফগলা নদী' (১৩৭৬) , 'শেষ বিকেলের মেয়ে ' (১৩৬৭) ইত্যাদি। সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার (১৯২৭ - ১৯৭১ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে - সারেং বৌ ' (১৯৬২) , ' সংশপ্তক ' (১৯৬৫) ইত্যাদি।
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'রাখালী'。 এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থে তার বিখ্যাত 'কবর' ও 'পল্লীজননী' সহ মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা। বিপ্লবীদের মুখপত্র এ পত্রিকাটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১১ আগস্ট ১৯২২) আত্মপ্রকাশ করে। এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের অনলবর্ষী দীর্ঘ কবিতা ‘ধূমকেতু’ প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি শুরুতে ফুলস্কেপ কাগজের চার পৃষ্ঠায় এবং পরে আট পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি বাণী দিয়ে ধূমকেতুকে অভিনন্দন জানান, যা প্রতি সংখ্যায় পত্রিকার শিরোনামের নিচে ছাপা হতো। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ অনেক দেশবরেণ্য ব্যক্তি এবং অমৃতবাজার পত্রিকা ধূমকেতুর আবির্ভাবকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান। শরৎচন্দ্রের কিছু নিবন্ধও এতে প্রকাশিত হয়। বিপ্লব, কৃষক-মজদুর ও মধ্যবিত্তের জাগৃতি ছিল এর মূল লক্ষ্য।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'শেষের কবিতা' নামের ভেতরে 'কবিতা' শব্দটি থাকলেও এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ বা প্রবন্ধ নয়, বরং একটি বিখ্যাত রোমান্টিক-মনস্তাত্ত্বিক কাব্যিক উপন্যাস। নামের বিভ্রান্তির কারণে অনেকে এটিকে কবিতার বই মনে করেন, কিন্তু এটি মূলত গদ্যে লেখা একটি উঁচুমানের উপন্যাস।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫ - ১৯৬৯ খ্রি) হলেন একজন বিশিষ্ট ভাষাবিদ , ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ। তিনি তার জীবদ্দশায় বহু গবেষণা, ভাষাতত্ত্ব ও প্রবন্ধ গ্রন্থ রচনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো - বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা (১ম খণ্ড, ১৯৫৩ ২য় খণ্ড , ১৯৬৫) , ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১), বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত (১৯৬৫) ইত্যাদি। সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়ের (১৮৯০ - ১৯৭৭ খ্রি) উল্লেখযোগ্য এ জাতীয় গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে - - The Origin and Development of the Bengali Language, বাঙ্গালা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা, ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।
৩৩ প্রদেশ বিশিষ্ট জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাভা বারাত প্রদেশের রাজধানীর নাম বান্দুং। ১৯৫৫ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা NAM (Non Aligned Movement) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২৯ টি দেশের সম্মেলন বান্দু - এ অনুষ্ঠিত হয়।
জব সলুশন