মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ কে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।
Related Questions
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ মিঃ এবং অপর দুটি বাহুর প্রতিটি ১০ মিঃ হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
ধরি,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি b = 16 মিটার এবং বাহুর দৈর্ঘ্য a = 10 মিটার।
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/4)√(4a² - b²)
= (16/4)√(4×10² - 16²)
= 4 × 12
= 48 বর্গমিটার
বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির নাম: প্রবোও সুবিয়ান্তো (শপথ গ্রহণ: ২০ অক্টোবর ২০২৪)। জোকো উইদোদো ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার ৭ম রাষ্ট্রপতি (কার্যকাল: ২০১৪–২০২৪)।
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যুরো ২০১৬ (জুন পর্যন্ত) অনুসারে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় অর্থাৎ বাংলাদেশের সর্বাধিক রপ্তানি আয় (২০১৫ - ১৬) আসে তৈরি পোশাক থেকে, ১৪,৭৩৮.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নীটওয়্যার (১৩,৩৫৫.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়।
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে বা জোরে ঘোরা রেগুলেটর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। রেগুলেটর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক পাখা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রেগুলেটরি পরিবর্তনশীল রোধ থাকে। তাই পাখা ধীরে ঘুরলেও বিদ্যুৎ খরচ একই হয় কারণ এ সময় রেগুলেটরি বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তি হিসেবে অপচয় হয়।
পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয় মেরু অঞ্চলে (উত্তর ও দক্ষিণ মেরু)。 এর কারণ হলো, পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয় এবং মেরু অঞ্চলে বিষুবীয় অঞ্চলের চেয়ে ব্যাসার্ধ কম。 পাশাপাশি পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে সৃষ্ট কেন্দ্রমুখী বলের প্রভাব মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে কম থাকে。 এর ফলে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ (\(g\)) এর মান সর্বোচ্চ হয় এবং বস্তুর ওজনও সবচেয়ে বেশি পরিমাপ করা যায়。
জব সলুশন