শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে নিচের কোনটি জরুরি?
শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণের জন্য স্বীকৃতি, স্নেহ এবং সাফল্য—এই তিনটিই অত্যন্ত জরুরি। স্বীকৃতি শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, স্নেহ তাদের মানসিক নিরাপত্তা ও ভালোবাসা দেয়, এবং সাফল্য তাদের নতুন কিছু শেখার ও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়। সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য এই সবগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন।
Related Questions
যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের প্যাথজেনিক (Pathogenic) বা প্যাথোজেন বলা হয়। রোগ সৃষ্টিকারী প্রধান অণুজীবগুলোর মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক।
সুনামি বিভিন্ন কারণে সৃষ্টি হতে পারে। কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম। তন্মধ্যে দুটি কারণ উল্লেখযোগ্য:
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন;
টেকটনিক প্লেটের আকস্মিক উত্থান - পতন
সমুদ্রসমতলের ২০ - ৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প হলে তা সমুদ্র তলদেশের মাটিকে যেমন নাড়িয়ে দেয়, তেমনি খুব স্বাভাবিকভাবেই তার সাথে সম্পর্কিত জলকে নাড়িয়ে দেয়। ভূমির কম্পন যখন জলে সঞ্চালিত হয়, তখন তার ফলে সুনামির উৎপত্তি হতে পারে। এছাড়াও সাধারণত কার্বন চক্রের প্রভাবে ভূ - অভ্যন্তরে টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনও কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে একসময় একটি আরেকটির উপরে উঠে যায়। তখন ঐ স্থানের ভূত্বক আচমকা উঁচু হয়ে যায়, এমনকি এভাবে ছোট টিলা থেকে পাহাড় সমান পর্যন্ত হঠাৎ ভূত্বক উঁচু হয়ে যেতে পারে। সমুদ্র, নদী, জলাশয় কিংবা অন্য কোনো বৃহৎ জলক্ষেত্রের নিচের ভূত্বক এভাবে ফুলে উঠলে তখন ঐ জলক্ষেত্রের পানিও হঠাৎ ফুলে উঠে সুনামির সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, শৈত্যপ্রবাহ, বজ্রপাত ইত্যাদি দুর্যোগ প্রতি বছরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।
এজন্য বাংলাদেশের জাতীয় নীতি, পরিকল্পনা, এবং বিভিন্ন কর্মসুচি প্রণয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রয়েছে-
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫,
• দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি ২০১৯,
• জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২৫,
• জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা- বদ্বীপ পরিকল্পনা - ২১০০।
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বলতে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে যে অস্থায়ী কিংবা স্থায়ী নেতিবাচক এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তার যাবতীয় চুলচেরা বিশ্লেষণকে বোঝাচ্ছে। বাংলাদেশে একাধারে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা সমস্যা, হিমালয়ের বরফ গলার কারণে নদীর দিক পরিবর্তন, বন্যা ইত্যাদি সবগুলো দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্ব সাহায্যের ৩০% শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে
বায়ুর তাপের প্রধান উৎস সূর্য।
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে।
- বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭% আসে সূর্য থেকে।
- পৃথিবী তাপ হারিয়ে শীতল হয় বিকিরণ পদ্ধতি।
- ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় পরিবহন প্রক্রিয়া।
বিশ্বব্যাংকের সমীক্ষা অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের ৩ কোটি মানুষ উদ্ভাস্তু হয়ে যাবে। ফলে মানুষের জীবিকা অর্জনে এটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।
Source: UNFCCC.
জব সলুশন