মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনি বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

ক) বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
খ) আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
গ) ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
ঘ) ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মুহম্মদ আবদুল হাই শিষ্ট কথ্য বাংলা ভাষার ধ্বনি এবং ধ্বনিতত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিশ্লেষণে ব্রতী হন এবং তাঁর গবেষণালব্ধ ফল ‘ধ্বনি বিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’ (১৯৬৫) নামক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
- মুহম্মদ আবদুল হাই-এর এই গ্রন্থটি অধ্যাবধি বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব পর্যালোচনার সর্বাধিক গভীর বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ।
- আবদুল হাই এ গ্রন্থে বাংলা স্বরধ্বনির সংখ্যা, দ্বিস্বর এবং অর্ধস্বরের গঠন, ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলোর ধ্বনিতাত্ত্বিক পরিচয়, বাক্প্রবাহে ধ্বনির রূপ, সন্ধি ও সামগ্রিকীভবন, ধ্বনিগুণ এবং স্বরতরঙ্গ বিষয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করেছেন।

Related Questions

ক) শোককবিতা
খ) পত্রকাব্য
গ) খন্ড কবিতা
ঘ) কোরাসগান
Note :

Ode - এর আভিধানিক বা গাথাকবিতা । অনেকে Ode - কে স্ত্রোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক Elegy অর্থ শোককবিতা।

ক) আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
খ) তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্তি হলাম।
গ) তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
ঘ) সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
Note :

"তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।" বাক্যটি শুদ্ধ।  বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'আশ্চর্যান্বিত' শব্দটি যথাযথ এবং নির্ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।

 

ক) সেন্টিমিটার
খ) ডেসিমিটার
গ) হেকটোমিটার
ঘ) কিলোমিটার
ক) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
খ) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) কাজী আব্দুল ওদুদ
Note :

মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সংস্কৃতি কথা' (১৯৫৮)।
- তিনি এ গ্রন্থে সংস্কৃতি সম্পর্কে ধর্মনিরপেক্ষ ও মানববাদী সংজ্ঞার্থ প্রদান করেছেন এবং সুন্দরভাবে বাঁচার মধ্যে মহত্তম জীবনের সন্ধান করেছেন।
- এ গ্রন্থের বিখ্যাত উক্তি- 'ধর্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।'

তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধ:
- 'সভ্যতা' (১৯৬৫) 
- 'সুখ' (১৯৬৮)।

ক) অপনোদন অর্থে
খ) পূজা অর্থে
গ) বিলানো অর্থে
ঘ) উপহার অর্থে
Note :

'নিছনি শব্দের আভিধানিক অর্থ রুপ , লাবণ্য, উপহার, বেশিবিন্যাস , অর্ঘ্য, নিবেদন ইত্যাদি রবীন্দ্রনাথের এ গানে চরণতলে 'নিছনি ' শব্দটি অর্ঘ্য অর্থাৎ পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ক) ১৯৯৫
খ) ১৯৯৪
গ) ১৯৯৩
ঘ) ১৯৯২
Note :

বাবরি মসজিদ ১৯৯২ সালে ভাঙ্গা হয় ।

বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের, ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যা শহরের রামকোট হিলের উপর অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ছিল। বিশ্বাস করা হয়, এ বাবরি মসজিদ যে স্থানে অবস্থিত ছিল সেটাই ছিল হিন্দু ধর্মের অবতার রামের জন্মস্থান। এই বিষয়টি নিয়ে আঠারো শতক থেকেই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিতর্ক চলে আসছে, যা অযোদ্ধা বিবাদ নামে পরিচিত। মসজিদের অভিলিখন থেকে জানা যায়, মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে সেনাপতি মীর বাকি ১৫২৮–২৯ সাল - এ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বিশ্ব হিন্দু পরিশদ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা এই মসজিদ আক্রমণ করে এবং গুড়িয়ে দেয়। যার ফলে পুরো ভারত জুড়েই দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এই দাঙ্গা পুরো ভারতজুড়ে প্রায় ২০০০ মানুষ মারা যায়, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন মুসলিম।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন