Millennium is a period of---
Millenium is period of 1,000 years. বাক্যের অর্থঃ সহস্রাব্দ হলো ১,০০০ বছরের সময়।
Related Questions
Adhere to something অর্থ দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা, অবিচল থাকা। To যোগে বাক্যটির বাংলা : এই লোকটি যেকোনো নীতির / আদর্শে অবিচল থাকে না।
Achilles' heel (দুর্বল জায়গা ) idiom টির অর্থ A weak point.
Gerund (v+ing) এর পূর্বে সাধারণত possessive adjective বসে।
-এছাড়াও, Preposition এবং gerund এর মাঝে possessive adjective বসে।
-সুতরাং শূন্যস্থানে he এর possessive adjective form হিসেবে his বসবে।
Oxford dictionary অনুযায়ী, She insisted on him wearing a suit, She insisted on his wearing a suit দুটোই সঠিক।
-তবে formal uses এর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বাক্যটি অর্থাৎ his এর ব্যবহার বেশি পরিলক্ষিত হয়।
‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ' (১৯২৬) এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ‘মুক্তবুদ্ধির চিরসজাগ প্রহরী’ ও ‘জাতির বিবেক’ বলে স্বীকৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আবুল ফজল রচিত স্মৃতিগ্রন্থ ‘দুর্দিনের দিনলিপি' (১৯৭২)।
-১ জুলাই, ১৯৭১ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সময়কালে লিখিত লেখকের দৈনন্দিন দিনলিপি ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে ‘দুর্দিনের দিনলিপি' নামে প্রকাশিত হয়।
-গ্রন্থটিতে স্থান পেয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের তথ্যভিত্তিক ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে লেখকের আত্মগোপনকালের দৈনন্দিন জীবনচিত্র।
-গ্রন্থটি তিনি শহিদ আনোয়ার পাশাকে উৎসর্গ করেন।
বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় - কবি শামসুর রহমানের লেখা গ্রন্থ। এটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ-
-''প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে'' (১৯৬০)
-''রৌদ্র করোটিতে'' (১৯৬৩)
-''বিধ্বস্ত নিলীমা'' (১৯৬৭)
-''নিরালোকে দিব্যরথ'' (১৯৬৮)
-''নিজ বাসভূমে'' (১৯৭০)
-''বন্দী শিবির থেকে'' (১৯৭২)
-''দুঃসময়ে মুখোমুখি'' (১৯৭৩)
-''ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাটা'' (১৯৭৪) ইত্যাদি।
কবিতার পঙ্ক্তির শেষে মিলহীন ছন্দকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে।
-এ ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
-অমিত্রাক্ষর ছন্দের কবিতায় চরণের অন্ত্যমিল থাকে না।
-প্রতি পঙ্ক্তিতে ১৪ অক্ষর থাকে, যা ৮+৬ পর্বে বিভক্ত।
-একে প্রবহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দও বলে।
-অক্ষরবৃত্ত ছন্দের প্রত্যেক চরণ দুই পর্বের এবং চরণের মাত্রা বিন্যাস ৮+৬ = ১৪।
-অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রত্যেক চরণের মাত্রা ৮+৬ পর্বে বিভক্ত।
-অক্ষরবৃত্ত ছন্দের পূর্বরূপ পয়ার। পয়ারে দুইটি চরণ এবং প্রতি চরণে দুইটি পর্ব থাকে। প্রথম পর্বের মাত্রা সংখ্যা আট এবং দ্বিতীয় পর্বের মাত্রা সংখ্যা ছয়। ১৪ মাত্রার চরণ দুইটি পরস্পর মিত্রাক্ষর হয়। এতে প্রতি চরণের শেষে ভাবের আংশিক বা সামগ্রিক পরিসমাপ্তি ঘটে এবং পূর্ণযতি চিহ্ন পড়ে।
-কিন্তু অমিত্রাক্ষর ছন্দে পক্তির শেষে মিল নেই। এ ছন্দে এক পঙ্ক্তিতে বক্তব্য শেষ না হলে অন্য পঙ্ক্তিতে গড়ানো যায়। ফলে যতিচিহ্ন ব্যবহারের স্বাধীনতা থাকার কারণে বড় ধরনের ভাব প্রকাশ করা সহজ হয়। সে লক্ষ্যেই মাইকেল মধুসূদন দত্ত অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নব-রূপায়ণ ঘটান অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের মাধ্যমে।
-অক্ষরবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ:
মরিতে চাহি না আমি / সুন্দর ভুবনে (৮+৬)
মানবের মাঝে আমি / বাঁচিবারে চাই (৮+৬)
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
অমিত্রাক্ষর ছন্দের উদাহরণ:
সম্মুখ-সমরে পড়ি, বীর চূড়ামণি
বীর বাহু চলি যবে গেলা যমপুরে
অকালে, কহ, হে দেবি অমৃতভাষিণি,
কোন বীরবরে রবি সেনাপতি পদে,
পাঠাইলা, রণে পুনঃ রক্ষঃকুলনিধি
রাঘবারি।
-মাইকেল মধুসূদন দত্ত
জব সলুশন