শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?

ক) চতুরঙ্গ
খ) চার অধ্যায়
গ) নৌকাডুবি
ঘ) ঘরে বাইরে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

সাধু ভাষায় রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ উপন্যাস ‘চতুরঙ্গ' (১৯১৬)।
-এটি সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী ও শ্রীবিলাস- এ উপন্যাসের চারটি অঙ্গ।
-শ্রীবিলাস নামে এক যুবকের অনিশ্চিত যাত্রা, তার সাথে বন্ধু শচীশের সাথে সাক্ষাৎ, বিধবা দামিনী এবং আদর্শবাদী ব্যক্তি জ্যাঠামশাইয়ের গল্প নিয়ে উপন্যাসের পটভূমিকা রচিত।
-উপন্যাসটির বর্ণনাকারী শ্রীবিলাস নামে এক যুবক।
-২০০৮ সালে সুমন মুখোপাধ্যায় এ উপন্যাস অবলম্বনে 'চতুরঙ্গ' চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

-‘নৌকাডুবি' উপন্যাসের চরিত্র: রমেশ, হেমনলিনী, কমলা, যোগেন্দ্র, নলিনাক্ষ। '
-চার অধ্যায়' উপন্যাসের চরিত্র: ইন্দ্ৰনাথ, এলা, অতীন্দ্র।
-‘ঘরে বাইরে' উপন্যাসের চরিত্র: বিমলা, নিখিলেশ, সন্দীপ, অমূল্য।

Related Questions

ক) ১৮৫৮ সালে
খ) ১৯৭৮ সালে
গ) ১৮৪৮ সালে
ঘ) ১৮৬৮ সালে
Note :

প্যারীচাঁদ মিত্র কর্তৃক রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৭)।
-উপন্যাসটি ইংরেজিতে Spoiled Child নামে অনূদিত।
-এটি বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস, যা তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর নামে ১৮৫৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে ‘মাসিক পত্রিকায় লিখতেন।
-এটি কথ্য ভাষায় লিখিত, যা ‘আলালি ভাষা' নামে পরিচিত।
ধনাঢ্য বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে মিশে এবং শিক্ষার প্রতি পিতার অবহেলার কারণে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। পিতার মৃত্যুর পর সব সম্পত্তির বিনাশ সাধন করার পর তার বোধোদয় ঘটে। ফলে হৃদয়-মন পরিবর্তিত হওয়ায় সে সৎ ও ধর্মনিষ্ঠ হয়।

চরিত্র: মতিলাল, মোকাজান মিঞা বা ঠক চাচা, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর। উল্লেখ্য, প্রশ্নের অপশনে প্রকাশকাল ১৮৫৭ না থাকলে ১৮৫৮ সাল উত্তর দিতে হবে।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ: ‘মদ খাওয়ার কী দায়, জাত থাকার কি উপায়' (১৮৫৯), ‘রামারঞ্জিকা' (১৮৬০), ‘গীতাঙ্কুর’ (১৮৬১), ‘যৎকিঞ্চিৎ' (১৮৬৫), 'অভেদী' (১৮৭১), ‘ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত’ (১৮৭৮), ‘আধ্যাত্মিকা’ (১৮৮০), ‘বামাতোষিণী’ (১৮৮১), ‘কৃষিপাঠ’ (১৮৬১),The Zamindar and Royats.

ক) রাজা রামমোহন রায়
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
গ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Note :

বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারসহ অন্যান্য পণ্ডিতগণ এবং রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা গদ্য রচনার প্রয়াস প্রশংসনীয়, কিন্তু তা ছিল অপূর্ণ।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন, বাংলা গদ্যপ্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি তাঁর গদ্যে ‘উচ্চবচ ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দস্রোত সৃষ্টি করেন এবং বাংলা গদ্যের শ্বাসপর্ব ও অর্থপূর্ব অনুসারে ভাগ করে, সেখানে যতি চিহ্ন প্রয়োগ করে বাংলা গদ্যেকে তিনি সাহিত্যগুণ সম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই তাঁকে প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

ক) বিনয় ঘোষ
খ) সুবিনয় ঘোষ
গ) বিনয় ভট্টাচার্য
ঘ) বিনয় বর্মণ
Note :

‘কালপেঁচা’ ছদ্মনামে পরিচিত বিনয় ঘোষ রচিত তিন খণ্ডে বিভক্ত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ (১৯৫৭)।
-১৯৫৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উদ্যাপনের অঙ্গরূপে ‘বিদ্যাসাগর বক্তৃতামালা'র আয়োজন করে ।
-এ আয়োজনে বিনয় ঘোষ প্রথম বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ পান। এখানে তিনি মোট ৬টি লিখিত ভাষণ দেন। এ ৬টি ভাষণের পরিমার্জিত রূপ ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ গ্রন্থটি।
-এতে প্রাধান্য পেয়েছে উনিশ শতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাসের পটভূমিতে বিদ্যাসাগরের জীবনদর্শন।

তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: ‘শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ’ (১৯৪০), ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতি' (১৯৪১), ‘সোভিয়েত সভ্যতা (১৯৪১), ‘ফ্যাসিজম ও জনযুদ্ধ' (১৯৪২), ‘কালপেঁচার নকশা’ (১৯৫১), 'কালপেঁচার দুকলম' (১৯৫২), ‘জনসভার সাহিত্য' (১৯৫৫), ‘কালপেঁচার বৈঠক’ (১৯৫৭), 'পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি' (১৯৫৭), ‘বিদ্রোহী ডিরোজিও’ (১৯৬১), ‘বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা (১৯৬৮) 'সাময়িকপত্রে বাংলার সমাজচিত্র' (১৯৬৮), মেট্রোপলিটন মন, মধ্যবিত্ত ও বিদ্রোহ' (১৯৭৩), 'বাংলার বিদ্বৎসমাজ (১৯৭৩), 'কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত' (১৯৭৫), ‘অটোমেটিক জীবন ও সমাজ' (১৯৭৮), 'নববাবু চরিত্র' (১৯৭৯), ‘বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সমাজতত্ত্ব' (১৯৮৩)।

বিনয় ঘোষ রচিত ছোটগল্প সংকলন ‘ডাস্টবিন’ ।

ক) রসুল বিজয়
খ) মক্কা বিজয়
গ) রসুলচরিত
ঘ) মক্কানামা
Note :

জয়েন উদ্দীন (পঞ্চদশ শতক) মধ্যযুগের বাংলার একজন বিখ্যাত কবি। তিনি গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের (১৪৭৪ - ১৪৮১) সভাকবি ছিলেন। তার রসুল-বিজয় মৌলিক রচনা নয়, কোনো ফার্সি গ্রন্থের অনুসরণে লিখিত। তার এই কাব্যটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত বিজয়-কাব্যধারার অন্যতম পথিকৃৎ।

ক) দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
খ) সাবিরিদ খাঁ
গ) সৈয়দ সুলতান
ঘ) সৈয়দ নূরুদ্দীন
Note :

সৈয়দ নূরুদ্দীন ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৬ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন। 

সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন। 

ক) ব্রজবুলি
খ) বাংলা
গ) সংস্কৃত
ঘ) হিন্দি
Note :

-যশোরাজ খানের প্রকৃত নাম দামোদর সেন।
-তিনি গৌড়ের শাসক সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।
-তিনি ‘শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল’ কাব্য রচনা করে ‘যশোরাজ খান’ উপাধি লাভ করেন।
-এ গ্রন্থে তিনি সুলতানকে ‘শাহু হুসেন জগত-ভূষণ' বলে সম্বোধন করেন।
-তাঁর একটি মাত্র পদ পাওয়া গেছে।
যথা:
এক পয়োধর    চন্দনে লোপিত
       আরে সহজেই গোর।
হিম ধরাধর   কোলে মিলল
      ভূধরাধর যোর ॥
   মাধব, তুয়া দরশন কাজে।
আধ পদ চালান   করিঞা সুন্দরী
       বাহির দেহলী মাঝে ॥
নীল ধবল কমল    দুঅ চান্দ
  পূজল কত কোটি কাম ৷

জব সলুশন

জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (27-02-2026)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB) - উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (পুর)/প্রাক্কলনিক (06-02-2026)

সমন্বিত ৬ ব্যাংক - অফিসার (ক্যাশ) (31-01-2026)

৫০ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (30-01-2026)

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ (পূর্বাঞ্চল) - পোস্টাল অপারেটর (23-01-2026)

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন - অফিস সহায়ক (17-01-2025)

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন