গঠনরীতিতে “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্য মূলত—
Related Questions
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা : ১. আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত একটি পদের পর অন্যপদ শোনার যে আগ্রহ জাগে তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। ২. আসত্তি : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর মাঝে অর্থের সঙ্গতি বা মিল রাখার জন্য সুশৃঙ্গল পদবিন্যাসকেই বলা হয় আসত্তি। ৩. যোগ্যতা : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।
ব্যক্ত (সংকৃত) বিশেষণ পদ, অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এমন, প্রকাশিত, স্পষ্ট, প্রকট । গূঢ় (সংস্কৃত) বিশেষণ পদ, অর্থ গুপ্ত, লুক্কায়িত, দুর্বোধ্য, জটিল । সুতরাং ব্যক্ত এর বিপরীত শব্দ গূঢ় । ত্যক্ত, গ্রাহ্য ও দৃঢ় শব্দের বিপরীত শব্দ যথাক্রমে গৃহীত, অগ্রাহ্য ও শিথিল ।
সদ্যঃ + জাত + সদ্যোজাত । অ - কারের পরস্থি স্ - জাত বিসর্গের পর ঘোষ অল্প প্রাণ ও ঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি কিংবা অন্তস্থ ব,র,ল,হ থাকলে অ - কার ও স - জাত বিসর্গ উভয় স্থলে ও - কার হয়। যেমন - তিরঃ + ধান = তিরোধান , মনঃ + রম = মনোরম, তপঃ + বন = তপোবন ইত্যাদি।
'হ্ম' যুক্তবর্ণটি বিশ্লিষ্ট করলে হ্ + ম পাওয়া যায় । যেমন - ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ । ক্ষ = ক্ + ষ (উচ্চারণ ক্ + খ - এর মতো ) যেমন - শিক্ষা , বক্ষ, রক্ষা।
জব সলুশন