বিরাম চিহ্ন কেন ব্যবহৃত হয়?
-বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তিতে কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ, বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে বাক্য গঠনে যে ভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখাবার জন্য যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তা-ই যতি বা বিরাম বা ছেদচিহ্ন।
-যেমন: সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।
-কিন্তু আমরা যদি প্রদত্ত বাক্যের ‘সুখ চাও’ এর পরে বিরাম চিহ্ন ‘কমা’ না বসাই, তাহলে তা বাক্যের অর্থকে স্পষ্ট করবে না।
Related Questions
ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি - ইতিহাসবেত্তা।
ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক।
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এক কথায় প্রকাশ:
• যা সহজে অতিক্রম করা যায় না - দুরতিক্রম্য।
• যা নিবারণ করা কষ্টকর - দুর্নিবার।
• পাওয়ার ইচ্ছা - ঈপ্সা
• বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন
• যা প্রমান করা যায় না - অপ্রমেয়
• একই সময়ে বর্তমণ - সমসাময়িক
• যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না - অলঙ্ঘ্য।
• যা অতিক্রম করা যায় না - অনতিক্রম্য।
• যা বহু কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ।
আকুঞ্চন অর্থ একটু কুঁকড়ানো, সঙ্কোচন।
- ‘পরভূত' শব্দের সমার্থক শব্দঃ কোকিল, পিক, কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, অন্যপুষ্ট, কলকণ্ঠ, বসন্তদূত, মধুবন।
- ধেনু অর্থ দুগ্ধবতী গাভী; বিভব অর্থ ধন, সম্পত্তি, মহত্ত্ব, ঐশ্বর্য; অম্বু অর্থ জল ।
করন' শব্দটির অর্থ -যন্ত্র বা সহায়ক । কর্তা যা দিয়ে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে করণ কারক বলে । যেমন - অহংকার পতনের মুল। এক্ষেত্রে যদি প্রশ্ন করা হয় কি দিয়ে ? বা কিসের সাহায্যে বা কি উপায়ে পতন হয় তাহলে আসে অহংকারে । তাই অহংকার করণ কারক ।
ব্যাকরণে, বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলা হয়। ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারককে নির্দেশ করে। একে "কর্তাকারক"ও বলা হয়।
উদাহরণ: খোকা বই পড়ে। (কে বই পড়ে? খোকা - কর্তৃকারক)। মেয়েরা ফুল তোলে। (কে ফুল তোলে? মেয়েরা - কর্তৃকারক)।
জব সলুশন