বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়?
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি। যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S), কার্বন (C) এবং লৌহ (Fe)।
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। ইউরিয়া সারে ৪৪-৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।
- বায়ুমন্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমন্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না।
- বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
- নাইট্রেট (NO3) হিসাবে উদ্ভিদ সাধারণত মাটি থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে।
- বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায় নাইট্রোজেন।
- কারণঃ আকাশে বিদ্যুক্ষরণের সময় নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ উৎপন্ন করে। এরপর এই অক্সাইডসমূহ পানির সাথে মিশে নাইট্রিক এসিড উৎপন্ন করে। নাইট্রিক এসিড বৃষ্টির পানির সাথে মিশে মাটিতে পতিত হয় এবং জমির ক্ষারীয় উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রেট (NO3) লবণ উৎপন্ন করে। এই নাইট্রেট (NO3) লবণ উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
Related Questions
সুপরিবাহী: যে বস্তুর মধ্য দিয়ে বিদ্যুত সহজেই প্রবাহিত হতে পারে বা চলাচল করতে পারে, তাকে সুপরিবাহী বলে। যেমন: লোহা, তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি।
অর্ধপরিবাহী: যে বস্তুর মধ্য দিয়ে নির্ধারিত মাত্রার বিদ্যুত প্রবাহিত হতে পারে তাকে অর্ধপরিবাহী বলে। যেমন: সিলিকন, জার্মেনিয়াম ইত্যাদি।

কঠিন পদার্থের অনেকগুলো শক্তি ব্যান্ড থাকে। যার মধ্যে তিনটি হচ্ছে প্রধান। এগুলো হচ্ছে যোজন ব্যান্ড, পরিবহন ব্যান্ড এবং নিষিদ্ধ ব্যান্ড।
যোজন ব্যান্ড : পরমাণুর সবচেয়ে বাইরের কক্ষপথে অবস্থিত ইলেকট্রনকে যােজন ইলেকট্রন বলে। যােজন ইলেকট্রনগুলাের শক্তির পাল্লা বা ব্যান্ডকে যােজন ব্যান্ড বলে।
পরিবহন ব্যান্ড : পরমাণুতে অবস্থিত মুক্ত যােজন ইলেকট্রন তড়িৎ পরিবহনে অংশগ্রহণ করে বলে এদেরকে পরিবহন ইলেকট্রন বলে। পরিবহন ইলেকট্রনগুলাের শক্তির পাল্লা বা ব্যান্ডকে পরিবহন ব্যান্ড বলে।
নিষিদ্ধ শক্তি ব্যান্ড : শক্তি স্তর রৈখিক চিত্রে পরিবহন ব্যান্ড এবং যোজন ব্যান্ড এর মধ্যবর্তী শক্তির পাল্লাকে নিষিদ্ধ শক্তি ব্যান্ড বলে।
একটি আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের (Ideal Voltage Source) অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য (0 Ω)।
পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো ০ কেলভিন (০ K), যা সেলসিয়াস স্কেলে -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ফারেনহাইট স্কেলে -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট-এর সমান। এটি মহাবিশ্বের সর্বনিম্ন সম্ভাব্য তাত্ত্বিক তাপমাত্রা, যেখানে পদার্থের কণার গতিশক্তি প্রায় শূন্য হয়।
১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর প্যারিসে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় ও এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
মকরক্রান্তি রেখা হলো দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশ (বা ২৩° ৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ), যার ওপর ২১শে বা ২২শে ডিসেম্বর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। এটি উইকিপিডিয়া অনুযায়ী দক্ষিণ গোলার্ধের সর্বদক্ষিণ সীমা নির্দেশ করে।
জব সলুশন