জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুসারে ‘ শুদ্ধাচার’ হচ্ছে-

ক) শুদ্ধভাবে কার্যসম্পাদনের কৌশল
খ) সরকারী কর্মকর্তাদের আচরণের মানদন্ড
গ) সততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ
ঘ) দৈনন্দিন কার্যক্রমে অনুসৃতব্য মানদন্ড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয় ২০১২ সালে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেতৃত্বে একটি কমিটি এই কৌশলটি প্রণয়ন করে।
- কৌশলটিতে রাষ্ট্রীয় কর্মচারীদের পেশাগত আদর্শ, মূল্যবোধ, আচরণ ও কর্তব্যবোধ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

Related Questions

ক) ৫০
খ) ৬০
গ) ৭০
ঘ) ৮০
ক) ১৮৬০ সালে প্রণীত দন্ড
খ) ২০০৪ সালে প্রণীত দুর্নীতি দমন কমিশন আইন
গ) ২০১৮ সালে প্রণীত সরকারী কর্মচারী ( শৃঙ্খলা ও আপীল ) বিধিমালা
ঘ) উপরের সবগুলো
Note :

- বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে বেশ কিছু আইন ও বিধিমালা রয়েছে।

প্রধান আইনগুলো হলো:
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এই আইনে ঘুষ, প্রতারণা, জালিয়াতি, অপব্যবহার ইত্যাদি দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এই আইনের মাধ্যমে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিষ্ঠিত হয়। দুদক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত, মামলা পরিচালনা এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।
- সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮ এই বিধিমালায় সরকারি কর্মচারীদের দ্বারা অসদাচরণ, দুর্নীতি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, দুর্নীতি প্রতিরোধে কেবল আইনই যথেষ্ট নয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য সকলের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

ক) .০১
খ) ১
গ) .২
ঘ) .১
ক) সততা
খ) সদাচার
গ) কর্তব্যবোধ
ঘ) মূল্যবোধ
Note :

- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- এগুলো 'ভুল' ও 'শুদ্ধ', 'ভালো' ও 'মন্দ'-এর পার্থক্য নির্ধারণে সহায়তা করে।
- আচরণের মাধ্যমে এই মূল্যবোধগুলো বাস্তবায়িত হয়।

- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।
- জন্মের পর থেকেই পরিবার, সমাজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করে।
- এই শিক্ষা আমৃত্যু চলতে থাকে। তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষার পরিবর্তন ঘটে।

ক) ডেকার্ট
খ) ডেভিড হিউম
গ) ইমানুয়েল কান্ট
ঘ) জন লক
Note :

- ইমানুয়েল কান্ট জার্মানির একজন প্রখ্যাত নীতিবিজ্ঞানী ছিলেন।
- নীতিশাস্ত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য।
- নীতিশাস্ত্রের উপর তার তত্ত্বগুলো আজও নীতিশাস্ত্রের জ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কান্টের নীতিশাস্ত্রের মূল ভিত্তি তিনটি:
১) সৎ ইচ্ছা: কান্টের নীতিশাস্ত্রের মূল ভিত্তি হল "সৎ ইচ্ছা"। তার মতে, "সৎ ইচ্ছা" হলো নৈতিকতার একমাত্র উৎস। "সৎ ইচ্ছা" বলতে তিনি বোঝাতেন - কোন লোভ, লালসা, বা স্বার্থ ছাড়া, কেবল নৈতিক নীতির প্রতি শ্রদ্ধাবশত কাজ করা।

২) কর্তব্যের খাতিরে কর্তব্য: কান্টের নীতিশাস্ত্রের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল "কর্তব্যের খাতিরে কর্তব্য"। তার মতে, কেবল সুখ বা লাভের জন্য নয়, বরং কর্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধাবশত কাজ করা উচিত।

৩) শর্তহীন আদেশ: কান্ট নীতিশাস্ত্রে "শর্তহীন আদেশ"-এর ধারণাটিও ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, নীতিশাস্ত্রের নীতিগুলো কোনো শর্তের উপর নির্ভরশীল নয়, বরং সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়।

নীতিশাস্ত্রের উপর কান্টের রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals
- Critique of Pure Reason
- Critique of Practical Reason
- Critique of Judgement

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন