সুশাসনের মূল ভিত্তি কী?
যে শাসন ব্যবস্থায় আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক উপায়ে নিশ্চিত করে তাকে সুশাসন বলে। সুশাসনের মূলভিত্তি আইনের শাসন। এটি একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ। একটি দেশের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আইনের শাসন থাকা দরকার কারণ এর মাধ্যমে স্বেচ্ছাচারি ক্ষমতা ও আধিপতা রোধ করা যায়।
Related Questions
এই বিখ্যাত উক্তিটি প্রাচীন গ্রিসের প্রখ্যাত দার্শনিক প্লেটো-র (Plato)। তিনি তাঁর রাজনৈতিক দর্শনে ও আদর্শ রাষ্ট্র গঠনে শাসকের নৈতিকতা, প্রজ্ঞা এবং জ্ঞানের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেছিলেন।
বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি-
- বাক স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিত
- সরকারের কার্যকারিতা
- নিয়ন্ত্রণ গুন
- আইনের শাসন
- দুর্ণীতি দমন
২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ৪টি স্তম্ভ ঘোষণা করে। এ ৪টি স্তম্ভ হল−
- দায়িত্বশীলতা,
- স্বচ্ছতা
- আইনী কাঠামো ও
- অংশগ্রহণ।
- বাংলাদেশে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয় ২০১২ সালে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেতৃত্বে একটি কমিটি এই কৌশলটি প্রণয়ন করে।
- কৌশলটিতে রাষ্ট্রীয় কর্মচারীদের পেশাগত আদর্শ, মূল্যবোধ, আচরণ ও কর্তব্যবোধ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
উপযোগবাদ তত্ত্বের জনক ইংরেজ দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম।
- তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ- 'An Introduction to the Principles of Morals and Legislation'. এই গ্রন্থে তিনি উপযোগবাদ তত্ত্বটি প্রথম ব্যাখ্যা করেন।
- এই মতবাদ অনুযায়ী, 'যা কিছু আনন্দদায়ক তাই ভালো।'
প্রখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ বার্ট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell)। বইটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য' ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
জব সলুশন