বিভক্তিহীন নাম-শব্দকে কী বলে?

ক) নাম-পদ
খ) মৌলিক শব্দ
গ) কৃদন্ত শব্দ
ঘ) প্রাতিপাদিক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।

প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলে। নামপদের যেই অংশকে আর বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, তাকেই প্রাতিপদিক বলে।

যেমন - ‘হাত’। এই নাম শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি নেই। এর সঙ্গে ‘আ’ যুক্ত করে নতুন শব্দ ‘হাতা’ তৈরি করা যেতে পারে। এটিও একটি নাম শব্দ। আবার এর সঙ্গে ‘অল’ শব্দাংশ যুক্ত করে ‘হাতল’ আরেকটি নামশব্দ তৈরি করা যেতে পারে।

Related Questions

ক) রাজনৈতিক
খ) অর্থনৈতিক
গ) মৌলিক
ঘ) সামাজিক
Note :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতাকে অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তথ্য প্রাপ্তিত অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ । সুতরাং তথ্য পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত ।
- তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০ নং আইন) মতে - ‘তথ্য পাওয়া’ মানুষের মৌলিক অধিকার।

ক) দুর্নীতি দূর হয়
খ) বিনিয়ােগ বৃদ্ধি পায়
গ) আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়
ঘ) কোনােটিই নয়
Note :

সুশাসনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম । অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ করতে যে সকল বাধা-বিপত্তি যেমন- কালো বাজারি, মজুদদারী, একচেটিয়া কারবার প্রভৃতি দূর হয় । নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয় , যারা তাদের উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগের সুযোগ পায় । ফলে দেশের সার্বিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় ।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে দুর্নীতি দূর হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে একথা বলা যাবে না কারণও এ দুটি বিষয় অনেক ব্যাপক । দুর্নীতি আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারটি কেবল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের সাথে জড়িত নয় ।

ক) উন্নয়ন
খ) গণতন্ত্র
গ) সংস্কৃতি
ঘ) সুশাসন
Note :

মাজজীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-ব্যবহার এবং কর্মকাণ্ডের সবকিছু পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় মূল্যবোধ দ্বারা ।
- মানুষ হিসেবে যে সকল কর্মকাণ্ড আমরা করে থাকি তা সংস্কৃতি দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত ।
- সমাজভেদে মানুষের আচার-আচরণে যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় তা মূলত সংস্কৃতির পার্থক্যের জন্যই ।
- মূল্যবোধ হলো একটি কাঙ্ক্ষিত উপাদান বা ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে প্রত্যাশা করে ।
- আর সংস্কৃতিই যেহেতু মানুষকে তার কাঙ্ক্ষিত আচরণটি শেখায়, তাই স্বাভাবিকভাবেই সংস্কৃতি মূল্যবোধের চালিকা শক্তি । 

ক) সরকার পরিচালনায় সাহায্য করা
খ) নিজের অধিকার ভােগ করা
গ) সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করা
ঘ) নিয়মিত কর প্রদান করা
Note :

- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক ।
- রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন, সংবিধান মান্য করা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে সরকারি কাজ সম্পাদন, জাতীয় সম্পত্তি ও শৃংখলা রক্ষা করা প্রভৃতি দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে একজন নাগরিক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার পরিচালনায় সাহায্য করে থাকে, যা যে কোনো দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জরুরি ।
- নিয়মিত কর প্রদান করার মাধ্যমে একজন নাগরিক সরকার পরিচালনায় সাহায্য করে থাকে ।
- নিজের ভোগ একান্তই নাগরিকের ব্যাপার, যার সাথে সুশাসন প্রতিষ্ঠার কোনো সম্পর্ক নেই ।
- সৎভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে । 

ক) দারিদ্র বিমােচন
খ) মৌলিক অধিকার রক্ষা
গ) মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন
ঘ) নারীদের উন্নয়ন ও সুরক্ষা
Note :

জাতিসংঘের অভিমত অনুসারে সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন। 

ক) মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
খ) মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
গ) সমাজজীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়ােজনীয় উপাদান
ঘ) মানুষের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলীর দিক নির্দেশনা
Note :

মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি, মানদণ্ড ও ভালো-মন্দের বিচারবোধ। এটি হলো সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং শৃঙ্খলা যা সমাজ ও মানুষের জীবনকে চালিত করে।

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন