‘কুসীদজীবী’ বলতে কাদের বুঝায়?

ক) চারণকবি
খ) সাপুড়ে
গ) সুদখোর
ঘ) কৃষিজীবী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

‘কুসীদজীবী’ বলতে মূলত সুদখোর বা তেজারতি কারবারীদের বোঝায়। যারা চড়া সুদে টাকা ধার দিয়ে জীবিকা নির্বাহ বা অর্থ উপার্জন করে, তাদের কুসীদজীবী বলা হয়। কুসীদ’ শব্দের অর্থ হলো সুদে খাটানোর জন্য দেওয়া অর্থ। আর ‘জীবী’ অর্থ জীবন ধারণকারী বা জীবিকা নির্বাহকারী।

Related Questions

ক) জন্ম > জম্ম
খ) আজি > আইজ
গ) অলাবু > লাবু > লাউ
ঘ) ডেস্ক > ডেসক
Note :

আজি \ আইজ অপিনিহিতির একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় উদাহরণ l  যুক্তব্যঞ্জনের আগে বা পরের 'ই' কার বা 'উ' কার নির্দিষ্ট স্থানে উচ্চারিত না হয়ে, তার আগেই উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে。এখানে 'আজি' শব্দের ধ্বনিক্রম হলো আ + জ্ + ই। কিন্তু উচ্চারণের সুবিধার্থে শেষের 'ই' টি 'জ'-এর আগে উচ্চারিত হয়ে 'আইজ'-এ পরিণত হয়。

ক) শশব্যস্ত
খ) কালচক্র
গ) পরানপাখি
ঘ) বহুব্রীহি
Note :

শশব্যস্ত' হলো একটি উপমান কর্মধারয় সমাস।ব্যাসবাক্য: শশকের (খরগোশের) ন্যায় ব্যস্ত  l খরগোশ যেমন সর্বদা অত্যন্ত সতর্ক ও দ্রুত বা অস্থিরভাবে ছোটে (ব্যস্ত থাকে), মানুষের সেই স্বভাবজাত দ্রুততা বা ব্যস্ততাকে খরগোশের সাথে তুলনা করা হয়েছে। এখানে 'শশক' হলো উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়েছে) এবং 'ব্যস্ত' হলো সাধারণ ধর্ম

ক) বিনোদিনী
খ) হৈমন্তী
গ) আশালতা
ঘ) চারুলতা
Note :

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়' গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র হলো 'চারুলতা'। উল্লেখ্য, 'বিনোদিনী' এবং ‘আশালতা হলো "চোখের বালি' উপন্যাসের চরিত্র। আর ‘হৈমন্তী' গল্পের নায়িকা হলো 'হৈমন্তী'।

ক) আলাওল
খ) মুক্তারাম চক্রবর্তী
গ) মুকুন্দ দাস
ঘ) চন্দ্রাবতী
Note :

স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগাতে, দেশের পরাধীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার প্রেরণা জোগাতে যেসব কবিরা গান গেয়ে ও যাত্রাভিনয় করে স্থানে স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন, তাদেরকে চারণ কবি বলা হয়।
- মুকুন্দ দাস স্বদেশী ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় বহু স্বদেশী বিপ্লবাত্মক গান ও নাটক রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ছিলেন স্বদেশী যাত্রার প্রবর্তক। প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন চারণকবি ছিলেন।

ক) দাশরথি রায়
খ) রামনিধি গুপ্ত
গ) ফকির গরীবুল্লাহ
ঘ) রামরাম বসু
Note :

দাশরথি রায় ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি, স্বভাবকবি এবং পাঁচালিকার। তিনি বিভিন্ন বিষয়ক ৬৪টি পালাভুক্ত প্রায় ৬৭৫টি গান রচনা করেছিলেন।

ক) রেফ
খ) হসন্ত
গ) কার
ঘ) ফলা
Note :

বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'কার'।
- আর ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন ব্যঞ্জনবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় 'ফলা'।
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ১০টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ৬টি।

• উদাহরণ:
- ম-ফলা: পদ্ম (এখানে 'দ'-এর সাথে 'ম' যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে নিচে বসেছে।)
- য-ফলা: বাক্য (এখানে 'ক'-এর সাথে 'য' যুক্ত হয়েছে।)
- র-ফলা: ব্রত (এখানে 'ব'-এর সাথে 'র' যুক্ত হয়েছে।)

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন