নীচের কোনটি ৫২(১৬) এর বাইনারী রূপ?
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E ও F -হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় ব্যবহৃত এ ১৬টি অঙ্কের প্রতিটি অঙ্ক তার সমতুল্য চার বিটের একটি বাইনারি সংখ্যাকে প্রতিনিধিত্ব করে । সুতরাং প্রদত্ত 52(16) -এর ক্ষেত্রে, 5 = 0101 এবং 2 = 0010; অর্থাৎ 52(16) = 01010010(2) ।
Related Questions
- Round robin scheduling algorithm এমনভাবে ডিজাইন করা, যাতে একটি সিষ্টেমকে অনেক ইউজার বা প্রোগ্রাম এক সাথে ব্যবহার করতে পারে ।
- এখানে প্রোগ্রামগুলো তাদের কার্যসম্পাদনের সময়টাকে শেয়ার করে ।
- ফলে অনেকগুলো প্রোগ্রাম এক সাথে সমান্তরালে চলতে পারে ।
- সুতরাং Time Shared Operating System -এ এটি অধিক ব্যবহৃত হয় ।
- মোবাইল ফোনের ডেটা ট্রান্সমিশন মোড হলো ফুল-ডুপ্লেক্স।
- এ পদ্ধতিতে ডেটা একই সাথে উভয় দিকে আদান-প্রদান করা যায়।
- অর্থাৎ প্রেরক ও প্রাপক উভয়ই এক সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- বর্তমানে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলার জন্য যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকি, সেগুলোর প্রায় সবগুলোই ফুল-ডুপ্লেক্স ডিভাইস।
ব্লুটুথ (ইংরেজি: Bluetooth) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল।
- এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ-এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে।
- ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার করে পার্সোনাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।।
- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে অনেক ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ রেডিও কমিউনিকেশন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই ইত্যাদি।
সঠিক উত্তর Tables
যে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম রিলেশন মডেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় Relational Database Management System বলে। ফিল্ডের ওপর ভিত্তি করে একাধিক টেবিলের মধ্যে রিলেশন থাকতে পারে। এ রিলেশনাল টেবিল দিয়ে আলাদা টেবিল তৈরি করা যায়।
১৯ অক্টাল নাম্বার নয় ।
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7 এই আটটি হলো অক্টাল নাম্বার ।
সুতরাং ১৯ এখানে ৯ অক্টাল নাম্বার নয় ।
- 0, 1 হল বাইনারি নাম্বার যার ভিত্তি 2
- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 দশমিক নাম্বার যার ভিত্তি 10 ।
- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F হেক্সাডেসিমেল যার ভিত্তি 16 |
টাচ স্ক্রীন একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে।
- টাচ স্ক্রীন (Touch Screen)-এ আমরা আঙুল বা স্টাইলাস দিয়ে কম্পিউটারকে ইনপুট দিই (Input Device হিসেবে কাজ করে) এবং স্ক্রিনে তথ্য দেখি (Output Device হিসেবে কাজ করে)।
- প্রিন্টার কেবল আউটপুট, মাউস ও মাইক্রোফোন কেবল ইনপুট ডিভাইস। তাই দু’দিকেই কাজ করতে পারে শুধু টাচ স্ক্রীন।
=================
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত যেসব Device ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাকে ইনপুট আউটপুট ডিভাইস বলে। Printer Scanner, Camera, VCR, VCP, VTR, TV, MODEM ও Touch Screen প্রভৃতি ইনপুট আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোন কাজ সম্পন্ন করতে হলে প্রথমে কম্পিউটারকে ঐ কাজের তথ্য প্রদান করতে হয়। Computer-কে দেয়া এ তথ্যই হচ্ছে Input. Computer-কে তথ্য প্রদান করার জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে Input device বলে। কয়েকটি Input device হলো: Keyboard, Mouse, Scanner, OMR, OCR, MICR, Microphone, Light pen etc.
জব সলুশন