'অবোধ' কোন সমাস (নাই বোধ যায়)?
'অবোধ' বহুব্রীহি সমাস (নাই বোধ যায়)।
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ছেলেরা "ক্রিকেট" খেলে - - - বাক্যে উদ্ধৃত শব্দটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।
"আলোয়" আঁধার কাটে --- বাক্যে 'আলোয়' শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী (৭মী) বিভক্তি।
রৌদ্রকরোজ্জ্বল বানানটি শুদ্ধ।
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটির নাট্যকার হলেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। এটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত তাঁর একটি কালজয়ী কাব্যনাট্য।
'ক্রীতদাসের হাসি' হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস。 ১৯৬২ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে তৎকালীন আইয়ুব খানের স্বৈরশাসন ও বাঙালিদের অবরুদ্ধ অবস্থার চিত্র রূপকের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে。
উল্লিখিত পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর রচনা। এটি তাঁর বিখ্যাত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত 'খেয়া-পারের তরণী' নামক কবিতার একটি অংশ। কবিতাটিতে কবি মহাপ্রলয়ের পটভূমিতে মানুষের বিপন্নতা ও মুক্তির আকুলতা ফুটিয়ে তুলেছেন।
জব সলুশন