জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসন কয়টি?

ক) ৪৫
খ) ৫০
গ) ৫৫
ঘ) ৬০
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০টি। 

মূল তথ্য:

মোট আসন: ৩০০টি সাধারণ (সরাসরি নির্বাচিত) + ৫০টি সংরক্ষিত (মহিলা) = ৩৫০টি।

বণ্টন পদ্ধতি: সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে এই ৫০টি আসন বণ্টন করা হয় ।

মেয়াদ: সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতোই সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের মেয়াদও ৫ বছর। 

এই সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়, যা দলীয় মনোনয়নের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। 

Related Questions

ক) যশোর
খ) কুষ্টিয়া
গ) মেহেরপুর
ঘ) চুয়াডাঙ্গা
Note : মুজিবনগর (পূর্বনাম বৈদ্যনাথতলা) বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত (তৎকালীন কুষ্টিয়া) এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠন করা হয়, এরপর তৎকালীন ভবেরপাড়ার বৈদ্যনাথতলার (বর্তমান মুজিবনগরের) আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই স্থানের নামকরণ মুজিবনগর করেছিলেন। তখন সরকারি নথির শীর্ষে লেখা থাকত ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, মুজিবনগর’। সরকারের ঠিকানা ছিল মুজিবনগর। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্যন্ত মুজিবনগর ছিল সরকারের রাজধানী। মুজিবনগর সরকারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স।
ক) শুশ্রুষা
খ) সুশ্রুষা
গ) শুশ্রূষা
ঘ) সুশ্রুসা
Note :

সঠিক বানান: শুশ্রূষা । শুশ্রূষা শব্দের অর্থ - পরিষেবা, উপচর্যা। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।

ক) অনতিক্রম্য
খ) দুর্লঙ্ঘ্য
গ) দুরতিক্রম্য
ঘ) দুর্গম
Note :

যা সহজে অতিক্রম করা যায় না (বা কষ্টে অতিক্রম করা যায়) = দুরতিক্রম্য। যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যায় না = অনতিক্রম্য। যা লঙ্ঘন করা যায় না = অলঙ্ঘ্য / যা কষ্টে লঙ্ঘন করা যায় = দুর্লঙ্ঘ্য।
 

ক) সিংহাসন
খ) ভাই-বোন
গ) কানাকানি
ঘ) গাছপাকা
Note :

সিংহাসন :সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস) : ভাইবোন : ভাই ও বোন (দ্বন্দ্ব সমাস) : কানাকানি : কানে কানে যে কথা (ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস); গাছপাকা: গাছে পাকা (সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস)।

ক) অবস্থাবাচক শব্দ
খ) বাক্যালঙ্কার শব্দ
গ) বিদেশি শব্দ
ঘ) দ্বিরুক্ত শব্দ
Note :

‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’ বাক্যে ‘টাপুর টুপুর’ হলো একটি ধ্বনিবাচক শব্দ বা আরও নির্দিষ্ট করে বললে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি (ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি)।

ক) কবিতার চরণ
খ) যে কোন শব্দ
গ) প্রত্যয়ান্ত শব্দ বা ধাতু
ঘ) বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু
Note :

’পদ’ বলতে বোঝায় বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু।

বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে।

পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।

সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।

অর্থাৎ, পদ মোট ৫ প্রকার -

১. বিশেষ্য,

২. বিশেষণ,

৩. সর্বনাম,

৪. ক্রিয়া,

৫. অব্যয়।

জব সলুশন

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-আরবরিকালচার সেকশনাল অফিসার 05-11-2026

১৯ তম বিজেএস-সহকারী জজ 31-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর-অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক 30-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- অফিস সহায়ক 30-10-2026

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-সহকারী প্রোগ্রামার /সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী 29-10-2026

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- সাইফার কর্মকর্তা ২৮-১০-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন