জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসন কয়টি?
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০টি।
মূল তথ্য:
মোট আসন: ৩০০টি সাধারণ (সরাসরি নির্বাচিত) + ৫০টি সংরক্ষিত (মহিলা) = ৩৫০টি।
বণ্টন পদ্ধতি: সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে এই ৫০টি আসন বণ্টন করা হয় ।
মেয়াদ: সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতোই সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যদের মেয়াদও ৫ বছর।
এই সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়, যা দলীয় মনোনয়নের মাধ্যমে পূরণ করা হয়।
Related Questions
সঠিক বানান: শুশ্রূষা । শুশ্রূষা শব্দের অর্থ - পরিষেবা, উপচর্যা। প্রদত্ত শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।
যা সহজে অতিক্রম করা যায় না (বা কষ্টে অতিক্রম করা যায়) = দুরতিক্রম্য। যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যায় না = অনতিক্রম্য। যা লঙ্ঘন করা যায় না = অলঙ্ঘ্য / যা কষ্টে লঙ্ঘন করা যায় = দুর্লঙ্ঘ্য।
সিংহাসন :সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস) : ভাইবোন : ভাই ও বোন (দ্বন্দ্ব সমাস) : কানাকানি : কানে কানে যে কথা (ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস); গাছপাকা: গাছে পাকা (সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস)।
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’ বাক্যে ‘টাপুর টুপুর’ হলো একটি ধ্বনিবাচক শব্দ বা আরও নির্দিষ্ট করে বললে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি (ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি)।
’পদ’ বলতে বোঝায় বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু।
বিভক্তিযুক্ত শব্দকেই পদ বলে।
পদের প্রকারভেদ : পদ প্রধানত ২ প্রকার - সব্যয় পদ ও অব্যয় পদ।
সব্যয় পদ আবার ৪ প্রকার - বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
অর্থাৎ, পদ মোট ৫ প্রকার -
১. বিশেষ্য,
২. বিশেষণ,
৩. সর্বনাম,
৪. ক্রিয়া,
৫. অব্যয়।
জব সলুশন