কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়?

ক) লৌহ
খ) ইউরেনিয়াম
গ) প্লুটোনিয়াম
ঘ) নেপচুনিয়াম
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্ত অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। প্রকৃতপক্ষে যে সব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, অন্যগুলোর ৮২ বা তার বেশি, যার ফলে শুধু লৌহই তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।

Related Questions

ক) ফ্যাদোমিটার
খ) জাইরোকম্পাস
গ) সাবমেরিন
ঘ) অ্যানিমোমিটার
Note :

সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করার যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার (Fathometer)। এছাড়া সমুদ্রের তলদেশের গভীরতা ও অবস্থান নির্ণয়ে সোনার (SONAR) বা ইকো-সাউন্ডার (Echo sounder) নামক প্রযুক্তিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

ক) এ্যামপ্লিফায়ার
খ) জেনারেটর
গ) লাউড স্পিকার
ঘ) মাইক্রোফোন
Note :

ম্যাগনেটিক ফিল্ডের আকর্ষন বিকর্ষণে স্পিকারের পর্দা কাপাকাপির কারণে সামনের বাতাসে কম্পন সৃষ্টি হওয়ার ফলে আমরা স্পিকার থেকে ভেসে আসা শব্দ শুনতে পাই। আর এভাবেই ইলেক্ট্রনিক সিগন্যালের শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়।

ক) গামা রশ্মি
খ) মাইক্রোওয়েভ
গ) অবলোহিত বিকিরণ
ঘ) আলোক তরঙ্গ
Note :

- রাডারের মূলনীতি হলো ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পালস ছড়িয়ে দেয়া হয় যেন বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে রাডারের গ্রাহক যন্ত্রে আসে।
- এ জন্য গামা রশ্মি বা মাইক্রোওয়েভ উভয়ের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হলে ও কম ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়।
- অপরপক্ষে ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়।
- অপরপক্ষে অবলোহিত বিকিরণ ও আলোক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড়।

ক) রাবার
খ) এলুমিনিয়াম
গ) লৌহ
ঘ) তামা
Note :

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, লৌহ (Iron) রাবার বা অন্য অনেক সাধারণ উপাদানের চেয়েও বেশি স্থিতিস্থাপক। 

ক) কাঁচা লোহা
খ) ইস্পাত
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ঘ) কোবাল্ট
Note :

যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলা হয়।
- যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত ইত্যাদি।
- এ সকল চৌম্বক পদার্থকে সহজে চুম্বকে পরিণত করা যায়।

- যে সকল পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় না বা যাদেরকে চৌম্বক পদার্থে পরিণত করা যায় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে।
- যেমন: কাঠ, কাঁচ, কাগজ, সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

ক) হেস
খ) আইনস্টাইন
গ) টলেমী
ঘ) হাবল
Note :

মহাজাগতিক রশ্মির (Cosmic rays) আবিষ্কারক অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস। ১৯১২ সালে বেলুনে করে আকাশে বিভিন্ন উচ্চতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে তিনি মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আসা এই তেজস্ক্রিয় বিকিরণের উপস্থিতি প্রমাণ করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

জব সলুশন

১৯ তম বিজেএস-সহকারী জজ 31-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর-অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক 30-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- অফিস সহায়ক 30-10-2026

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-সহকারী প্রোগ্রামার /সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী 29-10-2026

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা ২৮-১০-২০২৬

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- সাইফার কর্মকর্তা ২৮-১০-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন