দেশের রপ্তানী আয়ের চামরার অবস্থান কত?

ক) ১ম
খ) ২য়
গ) ৪র্থ
ঘ) ৩য়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের অবস্থান তৃতীয়। তৈরি পোশাক খাতের (প্রথম) পরপরই মূলত কৃষিজাত পণ্য এবং চামড়া ও পাদুকা শিল্পের অবস্থান। মোট রপ্তানিতে চামড়া খাতের অবদান প্রায় ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১১৫ কোটি মার্কিন ডলার।

Related Questions

ক) প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
খ) ডাঃ আব্দুল কাদের
গ) ড. স্বামিনাথান
ঘ) প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম
Note :

সাম্প্রতিক কালে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত যে কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেছেন, তিনি হলেন প্রফেসর নরম্যান বোরলগ。 তিনি 'সবুজ বিপ্লবের জনক' হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং খাদ্য উৎপাদনে অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন

ক) হাতি
খ) কুমির
গ) তিমি
ঘ) বাদুর
Note :

কুমির হল Reptilia (সরীসৃপ) উপপর্বের প্রাণী।
- সরীসৃপরা ডিম পাড়ে এবং তাদের শরীরে পশম বা স্তন্যপান নেই।
- এরা আংশিকভাবে জলজ এবং স্থলজ জীব থাকে, এবং তাদের ত্বক শুষ্ক ও শক্ত থাকে।
সুতরাং, কুমির একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়।

ক) ২২৫ মার্কিন ডলার
খ) ২৬০ মার্কিন ডলার
গ) ২৪০ মার্কিন ডলার
ঘ) ২০০ মার্কিন ডলার
Note :

বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২৪০ মার্কিন ডলার। 

ক) পঞ্চমীতে
খ) অষ্টমীতে
গ) অমাবস্যায়
ঘ) একাদশীতে
Note :

-অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর দুইপাশে একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
-যার কারণে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণে প্রবল জোয়ার সংঘটিত হয় যা ভরা কটাল বা তেজ কটাল নামে পরিচিত।
-সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা হয়। উপকূলের কোনো স্থানে পর পর দুইটি জোয়ার কিংবা পর পর দুইটি ভাটার মধ্যবর্তী সময় ব্যবধান ১২ ঘন্টা।
-জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা পরে হয় ভাটা হয়।

ক) খুলনা
খ) চট্টগ্রামে
গ) সিলেট
ঘ) বরিশাল
Note :

বাংলাদেশ বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট বনভূমির একটি বিশাল অংশ চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত। এর প্রধান কারণ হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম অর্থাৎ রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার পাহাড়ি বনাঞ্চল এবং কক্সবাজারের বনভূমি এই বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। তাই বিভাগ অনুসারে চট্টগ্রামেই সর্বাধিক বনভূমি রয়েছে। খুলনা বিভাগে সুন্দরবন থাকলেও মোট আয়তনে তা চট্টগ্রামের চেয়ে কম এবং সিলেট ও বরিশাল বিভাগে বনভূমির পরিমাণ আরও কম।

ক) পার্বত্য বনাঞ্চল
খ) গাজীপুর বনাঞ্চল
গ) মধুপুর
ঘ) সুন্দরবন
Note :

জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। 

যথা - 

১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি 

২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি 

৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন

- দেশের পার্বত্য বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়।
- যে বনভূমির বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না তাকে চিরহরিৎ বনভূমি বলা হয়। সাধারণত অধিক বৃষ্টিবহুল এলাকায় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য দেখা যায়

জব সলুশন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- অফিস সহায়ক 28-08-2026

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ- কম্পিউটার অপারেটর 28-08-2026

গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড - রিসিপশনিস্ট 22-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - সহকারী পরিচালক 21-08-2026

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড - হিসাবরক্ষক 21-08-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা 17-08-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন