উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিভক্তকারী রেখা হলো — অক্ষাংশ।
উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিভক্তকারী রেখাটি হলো ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ (38th parallel north)।
Related Questions
সঠিক উত্তর হলো: নঞ তৎপুরুষ, বহুব্রীহি।
• নঞ তৎপুরুষ সমাস:- পূর্বপদে নঞর্থক বা নিষেধার্থক অব্যয় ব্যবহৃত হয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তা নঞ তৎপুরুষ সমাস। নঞর্থক অব্যয়গুলো হলো ন, না, নি, নয়, নেই, অ, আ, অন, অনা, গর, বি, বে ইত্যাদি। যথা: ন কাতর = অকাতর,নয় এক = অনেক, অন্ (নঞ্) + ইষ্ট = অনিষ্ট।
• 'বেতার' এর ব্যাসবাক্য: নেই তার যার = বেতার।
বিশ্লেষণ:
বে (ব্যতিরেক/নঞর্থক উপসর্গ) + তার।
'বে' = না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে।
বিশ্বস্ত সোর্স অনুসারে, 'বেতার' - নঞ বহুব্রীহি সমাস।
বি.দ্র. অপশন বিবেচনায়, এখানে শব্দটির অর্থে নেতিবাচক ভাব রয়েছে এবং নঞ অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে। সেই কারণে এটিকে নঞ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে গণ্য করে উত্তরটি গ্রহণ করা হয়েছে।
• বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্যকোনো পদকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- বহুব্রীহি সমাসে পরপদের মাতৃ, পত্নী, পুত্র, স্ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়।
যেমন:
- নাই পুত্র যার = অপুত্রক,
- বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক,
- নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক,
- স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান = সস্ত্রীক ইত্যাদি।
সুতরাং, সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর- নঞ তৎপুরুষ, বহুব্রীহি সমাস।
একটি অনুচ্ছেদের মধ্যে বা একাধিক অনুচ্ছেদের মধ্যে ধারণাগুলোর ধারাবাহিকতা এবং মসৃণ প্রবাহ বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত বাক্য বা শব্দগুচ্ছকে 'Transition sentence' (সংক্রমণ বাক্য) বলা হয়।
বাংলাদেশ সরকার এবং পিসিজেএএস (PCJSS) এর মধ্যে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS)-এর মধ্যে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিটি ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
'Pixel' শব্দটি 'Picture Element' থেকে এসেছে। এটি একটি ডিজিটাল ইমেজ বা ডিসপ্লেতে প্রদর্শিত ক্ষুদ্রতম একক বিন্দু যা একটি নির্দিষ্ট রং ও উজ্জ্বলতা ধারণ করে।
মূল্যবোধ ও শাসনের মধ্যে সম্পর্ক হলো নৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নৈতিক মূল্যবোধ অত্যন্ত জরুরি। এটি দুর্নীতি কমায়, জনগণের অধিকার রক্ষা করে এবং সরকারের কাজে সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে.
র্যাঙ্কিংয়ের সূত্রানুযায়ী মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = (সামনে থেকে অবস্থান) + (পিছন থেকে অবস্থান) - ১। এই সূত্র অনুযায়ী
জব সলুশন