একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো-
ক) অর্থ সাশ্রয়
খ) স্থানের সাশ্রয়
গ) সময় সাশ্রয়
ঘ) উপরের সবকটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
একটি নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ারিং এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের হার্ডওয়্যার ক্রয়ের খরচ কমে (অর্থ সাশ্রয়) কম হার্ডওয়্যার প্রয়োজন হওয়ায় স্থান বাঁচে (স্থানের সাশ্রয়) এবং ডেটা বা রিসোর্স দ্রুত আদান প্রদান সম্ভব হওয়ায় সময় বাঁচে (সময় সাশ্রয়)। তাই সবকটিই সুবিধা।
Related Questions
ক) Online game
খ) Internet based service
গ) Online Banking
ঘ) None
Note : ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটভিত্তিক পরিষেবা যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণ না করে অনলাইনে ডেটা স্টোরেজ সার্ভার সফটওয়্যার এবং অন্যান্য কম্পিউটিং সংস্থান ব্যবহার করতে পারে।
ক) Hub
খ) modem
গ) Switch
ঘ) Gateway
Note :
MAC অ্যাড্রেসের ভিত্তিতে ডেটা ফরোয়ার্ড করার কাজটি করে সুইচ (Switch) যা OSI মডেলের ডেটা লিঙ্ক লেয়ার (Layer 2) এ কাজ করে।
ক) হাব
খ) রিপিটার
গ) সুইচ
ঘ) ব্রিজ
Note :
ম্যাক অ্যাড্রেস (MAC Address) ব্যবহার করে প্রেরকের ডেটা নির্দিষ্ট প্রাপক কম্পিউটারে পাঠায় সুইচ (Switch)।
ক) Printer
খ) CD-ROM
গ) Modem
ঘ) None of these
Note : মডেম (Modem) সাধারণত কম্পিউটারের কমিউনিকেশন পোর্টে সংযুক্ত থাকে যাতে এটি ডেটা গ্রহণ ও প্রেরণের জন্য ডিজিটাল ও অ্যানালগ সিগনালের মধ্যে রূপান্তর করতে পারে।
ক) Router
খ) Modem
গ) Switch
ঘ) HUB
Note : ডিজিটাল সিগনালকে অ্যানালগ সিগনালে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন বলে যা মডেমের একটি ফাংশন। এটি একটি প্রেরক মডেমের কাজ।
ক) মডুলেশন
খ) ডিমডুলেশন
গ) ব্রডকাস্ট
ঘ) হাফ ডুপ্লেক্স
Note : মডেম যখন অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে এই প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন বলে। এটি একটি গ্রাহীতা মডেমের কাজ।
জব সলুশন