নূরলদীনের ডাক শোনা গিয়েছিল-
ক) শস্যক্ষেতে
খ) মেহনতী জনতা
গ) গ্রামের মানুষ
ঘ) নাটমঞ্চে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
নূরলদীন ছিলেন তৃণমূল পর্যায়ের কৃষক নেতা। তাঁর বিদ্রোহের মূল শক্তি ছিল বাংলার সাধারণ কৃষক ও শোষিত গ্রামীণ শ্রমজীবী মানুষ।
Related Questions
ক) ঘর থেকে বের হওয়ার আহ্বান
খ) অত্যাচারীর বিরুদ্ধে জেগে ওঠার আহ্বান
গ) মুক্তিযুদ্ধের আহ্বান
ঘ) সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান
Note : আঞ্চলিক আহ্বানের মূল সারমর্ম হলো ঘুমে থাকা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে ভয় পাওয়া জনতাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করা।
ক) দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের তোরাব
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অচলায়তন' নাটকের দাদা ঠাকুর
গ) মামুনুর রশীদের 'ওরা কদম আলী' নাটকের কদম আলী
ঘ) সৈয়দ শামসুল হকের 'নূরলদীনের সারাজীবন' নাটকের নূরলদীন
Note : নাটকের প্রধান চরিত্র নূরলদীনের মুখনিঃসৃত বিখ্যাত সংলাপ। এর মাধ্যমে তিনি নির্লিপ্ত জনতাকে বিদ্রোহের জন্য চূড়ান্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
ক) সিংহের সঙ্গে
খ) বন্য মানুষের সঙ্গে
গ) শকুনের সঙ্গে
ঘ) হায়নার সঙ্গে
Note : কবি ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে লাশের ওপর হামলে পড়া শকুন হিসেবে বর্ণনা করেছেন যা তাদের নিষ্ঠুরতা ও ধ্বংসাত্মক মনোভাব প্রকাশ করে।
ক) দিনাজপুর
খ) কুড়িগ্রাম
গ) রংপুর
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : কবিতার প্রেক্ষাপট এবং নূরলদীনের ঐতিহাসিক কর্মস্থল ছিল অবিভক্ত রংপুর জেলা। তাই কবিতায় বারবার রংপুরের নাম ও স্মৃতি ফিরে আসে।
ক) পাকিস্তানি
খ) নবাব
গ) পর্তুগিজ
ঘ) ব্রিটিশ
Note : নূরলদীন তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসক এবং তাদের অনুগত শোষক শ্রেণির অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ক) কৃষক বিদ্রোহ
খ) নীল বিদ্রোহ
গ) স্বদেশী আন্দোলন
ঘ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
Note : ১৭৮৩ সালে উত্তরবঙ্গে সংঘটিত ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহকে ভিত্তি করেই কবি এই কবিতায় নূরলদীনের তেজস্বী ভূমিকার কথা স্মরণ করেছেন।
জব সলুশন