‘তিথিডোর’ গ্রন্থের রচয়িতা-
ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী
খ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
গ) বিষ্ণু দে
ঘ) বুদ্ধদেব বসু
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
তিথিডোর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস যার রচয়িতা বুদ্ধদেব বসু। মধ্যবিত্ত জীবনের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য। অন্য লেখকরা এই ধারার বা এই বইয়ের সাথে যুক্ত নন।
Related Questions
ক) কাব্যগ্রন্থ
খ) গল্পগ্রন্থ
গ) উপন্যাস
ঘ) প্রবন্ধগ্রন্থ
Note : বুদ্ধদেব বসু রচিত এই গ্রন্থে বিভিন্ন সাহিত্যিক ও সমালোচনাধর্মী প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে। এটি কাব্য বা উপন্যাস নয় বরং মননশীল গদ্যের সার্থক উদাহরণ।
ক) ১৯৮০ সালে
খ) ১৯৮১ সালে
গ) ১৯৭৬ সালে
ঘ) ১৯৮৩ সালে
Note : কবি ফররুখ আহমদকে মরণোত্তর ১৯৮০ সালে সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান 'স্বাধীনতা পুরস্কার' প্রদান করা হয়।
ক) ফররুখ আহমদ
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) কায়কোবাদ
ঘ) সুকান্ত ভট্টাচার্য
Note : 'সাত সাগরের মাঝি' কবিতায় কবি ফররুখ আহমদ নিজেই মাঝিকে (রূপক অর্থে সমাজকে) সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন।
ক) নজরুল ,কাফেলা
খ) রবীন্দ্রনাথ, ঝড়
গ) ফররুখ, সাত সাগরের মাঝি
ঘ) আল মাহমুদ ,বন্য স্বপ্নেয়রা
Note : উল্লেখিত পঙক্তিটি ফররুখ আহমদের বিখ্যাত 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যের অন্তর্গত যা মূলত প্রেরণা এবং জাগরণের প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ।
ক) আরবী
খ) ফারসি
গ) উর্দু
ঘ) বাংলা
Note : যদিও 'সিরাজাম মুনীরা' একটি আরবি শব্দসম্বলিত নাম এবং এর বিষয়বস্তু ধর্মীয় তথাপি কাব্যটি বাংলা ভাষায় রচিত এবং এর আবেদন সর্বজনীন।
ক) জসীম উদ্দিন
খ) ফররুখ আহমদ
গ) আহসান হাবীব
ঘ) শামসুর রাহমান
Note : ১৯৫২ সালে প্রকাশিত 'সিরাজাম মুনীরা' কাব্যগ্রন্থটি ফররুখ আহমদের একটি বিখ্যাত রচনা যেখানে তিনি মহানবী (সা.)-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
জব সলুশন