জি-জিরো গঠনের উদ্যোক্তা হলো -
ক) থাইল্যান্ড
খ) মায়ানমার
গ) ভুটান
ঘ) বাংলাদেশ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
G-20 এর মতো বড় অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই দেশগুলো সাধারণত উদ্যোক্তা নয় কিন্তু প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী ভুটানকে উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে যদিও এর কোনো প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ভিত্তি নেই।
Related Questions
ক) মালদ্বীপ
খ) নেপাল
গ) ভুটান
ঘ) সুরিনাম
Note : ভুটানের বনভূমি দেশের কার্বন নির্গমনের চেয়ে বেশি কার্বন শোষণ করে একে কার্বন নেগেটিভ দেশে পরিণত করেছে।
ক) জাপান
খ) চীন
গ) ভুটান
ঘ) কানাডা
Note : ভুটান হলো বিশ্বের একমাত্র কার্বন-নেগেটিভ দেশ যার অর্থ দেশটি বায়ুমণ্ডলে যে পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন করে তার চেয়ে বেশি শোষণ বা প্রশমিত করে।
ক) জলবায়ু পরিবর্তন
খ) ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো'র ব্যয়
গ) আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য
ঘ) আন্তর্জাতিক ঋণ
Note : 'Loss and Damage' হলো আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্বল দেশগুলোর ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য তহবিল সরবরাহ সংক্রান্ত।
ক) ২১ এপ্রিল ২০১৫
খ) ২১ এপ্রিল ২০১৬
গ) ২২ এপ্রিল ২০১৫
ঘ) ২২ এপ্রিল ২০১৬
Note : বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপী বহু দেশ ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল নিউইয়র্কে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। এটি ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে করা হয়েছিল।
ক) প্যারিস
খ) লন্ডন
গ) তেহরান
ঘ) টোকিও
Note : এটি জলবায়ু সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির স্থান নিয়ে প্রশ্ন। সাধারণত 'প্যারিস জলবায়ু চুক্তি'র (COP 21) কথা উল্লেখ করা হয় যা ২০১৫ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
ক) 1
খ) 1.5
গ) 2
ঘ) 2.5
Note : এটি প্যারিস চুক্তির একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক লক্ষ্যমাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন। চুক্তিতে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রাক-শিল্পযুগের চেয়ে
জব সলুশন