কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
অব্যয়ীভাব সমাস:পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। সামীপ্য, অভাব, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন:
পর্যন্ত (আ) অর্থে - পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।
Related Questions
অপাদান কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াপদ ধরে কোথা থেকে কি থেকে কিসের থেকে এসব প্রশ্ন করতে হয় এবং তার উত্তরে অপাদান কারক জানতে পারা যায়। যেমন - চোখ দিয়ে জল পড়ে। কোথা থেকে বা দিয়ে - চোখ দিয়ে। কাজেই এটি অপাদান কারক এবং দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক বিভক্তি চিহ্ন থাকায় এটি তৃতীয় বিভক্তি।
কাজটি যে করে সেই কর্তৃকারক। অপরের অধীনে না হয়ে নিচে ক্রিয়া সম্পাদন করলে সেই হয় কর্তা। কর্তৃ কারক নির্ণয়ের জন্য প্রশ্ন হচ্ছে 'কে বা কারা'? যেমন: আমাকে যেতে হবে। কাকে যেতে হবে? 'আমাকে'। এখানে আমাকে কর্তৃকারক। দ্বিতীয় বিভক্তি চিহ্ন কে, রে, । কাজেই কর্তায় ২য়া বিভক্তি।
কথা সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত কতিপয় নাটক হলো: আমলার মামলা, তস্কর ও লস্কর, বাগদাদের কবি ও কাঁকর মনি।
'সাজাহান' একটি ঐতিহাসিক নাটক। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬৩ - ১৯১৩) রচিত এ নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত অন্যান্য ঐতিহাসিক নাটকের মধ্যে রয়েছে - নূরজাহান (১৯০৮) , প্রতাপসিংহ (১৯০৫) , সিংহল বিজয় (১৯১৬) ইত্যাদি।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সংকলন সঞ্চয়িতা। এ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এর কবিতাগুলো কালানুক্রমে সজ্জিত। প্রথমে সন্ধ্যাসংগীত কাব্যগ্রন্থ থেকে পড়ে শেষ লেখা কাব্যগ্রন্থের কবিতা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এটি রবীন্দ্রনাথের অত্যাধিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
"লাল সালু" - উপন্যাসের রচয়িতা বিখ্যাত কথা সাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। তিনি ১৯৪৮ সালে "লাল সালু" রচনা করেন। গ্রাম বাংলার মানুষের অশিক্ষা - কুশিক্ষা এবং ধর্মীয় ভন্ডামির চিত্র হলো এ উপন্যাস এর মুল বিষয়।
জব সলুশন